০২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ককে লাঞ্ছিতে যুবদল নেতা বহিষ্কার, বিএনপি নেতাকে শোকজ

৫ কোটি টাকার টেন্ডার না পেয়ে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায় ডা. হারুন অর রশিদকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় জেলা যুবদলের সদস্য হাবিবুল্লাহকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া বিএনপি নেতা শরফুদ্দৌলা ছোটলুকে শোকজ করা হয়।
৮ নভেম্বর যশোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন অনলাইন নিউজে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের সুপার এর কক্ষে অনাকাংখিত ঘটনার যে সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের যশোর জেলা কমিটি  গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষনে এনেছে।  ঘটনাটি নিশ্বনীয় ও অগ্রহনযোগ্য যাহা আমরা তীব্রভাবে নিন্দা জানাচ্ছি। কতিপয় ঠিকাদার ও সুপার এর ভিতরকার এই ঘটনার সাথে কোন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নাই। বিএনপি যেমন রাষ্ট্রক্ষমতায় নাই তেমন টেন্ডার সংক্রান্ত বা দখলদারিত্বের মত কোন বিষয় বিএনপির কোন ধরনের সংশ্লিষ্টতা দলে কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। অতএব ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক বা ঠিকাদারী কাজে কেউ অনৈতিক সুবিধা নিতে চাইলে সে ব্যক্তি দলের যে কোন টায়ারের নেতা বা কর্মি হোক তার বিরুদ্ধে দল কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিচ্ছে যা অব্যাহত থাকবে।
উক্ত ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার হাবিবুল্লাহ যুবদলের একজন সদস্য হওয়ায় ইতিমধ্যে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঐ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিতির কারন ব্যাখ্যা করতে জেলা বিএনপি’র সদস্য এ কে শরফুদ্দৌলা ছোটলু কে শোকজ করা হয়েছে এবং তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে দল কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
বিগত পতিত সরকারের টেন্ডারবাজী ও দখলবাজীর কারনে প্রতিটা প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনিত হয়েছে। তাই কোন রকম টেন্ডারবাজী ও দখলবাজী বিএনপি সমর্থন করেনা এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তাই বিএনপি’র অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের কোন ব্যক্তি যদি এহেন কোন কর্মকান্ডের সাথে নুন্যতম সংশ্লিষ্ট হন তাহলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থার এবং প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থার আওতাভুক্ত হবেন বলে কঠোর হুশিয়ারী প্রদান করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আজীবন সংগ্রামী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা আমাদের নেতা মরহুম তরিকুল ইসলামের পরিবারের কোন সদস্য ঠিকাদারী করেন না বরং রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকাকালে সকল প্রকার দখলদারিত্বের বিষয় তিনি কঠোরভাবে দমন করেছেন যাহা যশোরবাসী জানে। অতএব যশোর জেলা বিএনপি সকল ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল ও থাকবে।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবর মাসে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহের (এমএসআর) জন্য ৬টি গ্রুপে প্রায় ৫ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। টেন্ডারে জেলা বিএনপির সদস্য এ.কে শরফুদ্দৌলা ছোটলু’র পছন্দের প্রতিষ্ঠানও অংশ নেয়। ছোটলু’র পছন্দের প্রতিষ্ঠান কয়েকটি গ্রুপের কাজ পেলেও সবগুলো পাননি। বিষয়টি জানতে পেরে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে তিনি একদল যুবককে নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করেন। তিনি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে গিয়ে পূর্ণাঙ্গ কাজ না পাওয়ার কারণ জানতে চান। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপি কর্মীদের তিনি তত্ত্বাবধায়ককে লাঞ্ছিতের নির্দেশ দেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ককে লাঞ্ছিতে যুবদল নেতা বহিষ্কার, বিএনপি নেতাকে শোকজ

আপডেট সময় : ১০:৫৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪
৫ কোটি টাকার টেন্ডার না পেয়ে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায় ডা. হারুন অর রশিদকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় জেলা যুবদলের সদস্য হাবিবুল্লাহকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া বিএনপি নেতা শরফুদ্দৌলা ছোটলুকে শোকজ করা হয়।
৮ নভেম্বর যশোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন অনলাইন নিউজে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের সুপার এর কক্ষে অনাকাংখিত ঘটনার যে সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের যশোর জেলা কমিটি  গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষনে এনেছে।  ঘটনাটি নিশ্বনীয় ও অগ্রহনযোগ্য যাহা আমরা তীব্রভাবে নিন্দা জানাচ্ছি। কতিপয় ঠিকাদার ও সুপার এর ভিতরকার এই ঘটনার সাথে কোন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নাই। বিএনপি যেমন রাষ্ট্রক্ষমতায় নাই তেমন টেন্ডার সংক্রান্ত বা দখলদারিত্বের মত কোন বিষয় বিএনপির কোন ধরনের সংশ্লিষ্টতা দলে কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। অতএব ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক বা ঠিকাদারী কাজে কেউ অনৈতিক সুবিধা নিতে চাইলে সে ব্যক্তি দলের যে কোন টায়ারের নেতা বা কর্মি হোক তার বিরুদ্ধে দল কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিচ্ছে যা অব্যাহত থাকবে।
উক্ত ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার হাবিবুল্লাহ যুবদলের একজন সদস্য হওয়ায় ইতিমধ্যে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঐ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিতির কারন ব্যাখ্যা করতে জেলা বিএনপি’র সদস্য এ কে শরফুদ্দৌলা ছোটলু কে শোকজ করা হয়েছে এবং তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে দল কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
বিগত পতিত সরকারের টেন্ডারবাজী ও দখলবাজীর কারনে প্রতিটা প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনিত হয়েছে। তাই কোন রকম টেন্ডারবাজী ও দখলবাজী বিএনপি সমর্থন করেনা এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তাই বিএনপি’র অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের কোন ব্যক্তি যদি এহেন কোন কর্মকান্ডের সাথে নুন্যতম সংশ্লিষ্ট হন তাহলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থার এবং প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থার আওতাভুক্ত হবেন বলে কঠোর হুশিয়ারী প্রদান করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আজীবন সংগ্রামী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা আমাদের নেতা মরহুম তরিকুল ইসলামের পরিবারের কোন সদস্য ঠিকাদারী করেন না বরং রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকাকালে সকল প্রকার দখলদারিত্বের বিষয় তিনি কঠোরভাবে দমন করেছেন যাহা যশোরবাসী জানে। অতএব যশোর জেলা বিএনপি সকল ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল ও থাকবে।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবর মাসে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহের (এমএসআর) জন্য ৬টি গ্রুপে প্রায় ৫ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। টেন্ডারে জেলা বিএনপির সদস্য এ.কে শরফুদ্দৌলা ছোটলু’র পছন্দের প্রতিষ্ঠানও অংশ নেয়। ছোটলু’র পছন্দের প্রতিষ্ঠান কয়েকটি গ্রুপের কাজ পেলেও সবগুলো পাননি। বিষয়টি জানতে পেরে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে তিনি একদল যুবককে নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করেন। তিনি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে গিয়ে পূর্ণাঙ্গ কাজ না পাওয়ার কারণ জানতে চান। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপি কর্মীদের তিনি তত্ত্বাবধায়ককে লাঞ্ছিতের নির্দেশ দেন।