০৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সন্ধ্যা হলেই দৌরাত্ম বেড়ে যায়,মেঘনা সেতু ও জামালদি স্টান্ডের ফুটওভার ব্রিজের উপর ছিনতাইকারী চক্রের

কর্মক্ষেত্রে আসার পথে রংপুরের রবিউল ৫৫হাজার টাকা,৩টি মোবাইল,৩টা ব্যাচলাইড,গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দি ইউনিয়নের জামালদি স্টান্ডের ফুটওভার ব্রিজের ওপর আক্রমনাত্মক অবশ্যায় ছুরির মুখে ছিনতাকারীদের দিতে বাধ্য হয়।

 

রবিউল জানায়,রবিবার ১৭ তারিখ ভোর রাত আনুমানিক সাড়ে ৩ টায় বাস থেকে নেমে জামালদি স্টান্ডের ফুট ওভার ব্রিজের উপরে উঠলে তিনজন ছিনতাইকারী ছুরি ঠেকিয়ে টাকা পয়সা,মোবাইল,ও বেচলাইড নিয়ে যায়।রবিউলকে চিৎকার  করতে না করে ছিনতাইকারীরা,চিৎকার করছে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে ভয় দেখিয়েছে।তাছাড়া কয়েক দিন পর পর মেঘনা সেতুতে সংঘবদ্ধ  ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পরতে হয় পথচারীদের।কয়েক মাস আগে এক সেনা সদস্য শ্বশুর বাড়ি আসার পথে ছিনতাইকারীরা মেঘনা সেতুর উপর তার নিকট থেকে ছুরি দেখিয়ে ১০ টাকা সহ ফোন নিয়ে যায় ।এ ছাড়াও কোম্পানিতে চাকরি করা শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত ছিনতাইকারী চক্রের আতঙ্কে থাকছে।একাধিক পথচারী ছিনতাইকারীর ছুরির আঘাতে জখম হয়েছে।সন্ধানর পর পর মেঘনা সেতুর উপর নিচে মাদক সেবী ও ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম  বেড়ে যায়।সারা রাত্র চলে তাদের নানা অপকর্ম।স্থানীয়দের দাবি প্রশাসন শক্ত অবস্থানে নেই,এ সুবিধা টা কাজে লাগাচ্ছে অপরাধ কারীরা।

 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া অংশের মেঘনা সেতুর উপর সহ এর চারপাশ জামালদি স্টান্ডের ফুটওভার ব্রিজ যেনো পথচারীদের জন্য আতঙ্ক।সন্ধ্যা নামলেই মাদক সেবিদের দখলে চলে আসে এ এরিয়া।প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা।

 

মেঘনা সেতুর জামালদি বাসস্ট্যান্ডের ফুটওভার ব্রিজ টি এখন পথচারীদের জন্য যেনো চুরি,ছিনতাই,অঘটন ও মৃত্যুফাঁদ। সন্ধ্যার পর নানা পেশার হাজারো মানুষের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ এ ফুটওভার ব্রিজটি দীর্ঘ যাবত বিদ্যুৎহীন,আলো বিহীন,গভীর গুহার ন্যায় অন্ধকারছন্ন,নিরাপত্তাহীন,ভয় এবং আতঙ্কের এক কেন্দ্রবিন্দু ফুটওভার ব্রিজটির চার পাশের এরিয়া।

 

রাতের সময় বৃদ্ধ,বৃদ্ধা,কিংবা শিশুদের হোঁচট খেয়ে পড়া,ধাক্কা খাওয়া এমনকি অনুমানের উপর ভিত্তি করে সু-উচ্চ ফ্লাইওভার ব্রিজটিতে উঠতে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা জনিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।তাই মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে অতি দ্রুত বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে পথচারীদের দুর্ভোগ লাগবে কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় পথচলা সাধারণ জনগণ।আলোর ব্যবস্থা হলে হয়তো কিছুটা অভয় পাবে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার কারীরা।

 

মেঘনা সেতুর উপর এবং জামালদি স্টান্ডের ফুটওভারব্রিজের উপর সহ এর আশেপাশে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা  ক্রমশ বেড়েই চলছে প্রশ্নের জবাবে,গজারিয়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)হুমায়ুন কবির জানায়,প্রতিনিয়ত তারা টহল পুলিশ রেখেছে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশের বিভিন্ন পয়েন্টে। শীত কে পুঁজি করে নতুন চুরি ছিনতাই চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে,ওই এরিয়া কে আমরা বিশেষ ভাবে পর্যবেক্ষে করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্ধ্যা হলেই দৌরাত্ম বেড়ে যায়,মেঘনা সেতু ও জামালদি স্টান্ডের ফুটওভার ব্রিজের উপর ছিনতাইকারী চক্রের

আপডেট সময় : ০৪:২৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪

কর্মক্ষেত্রে আসার পথে রংপুরের রবিউল ৫৫হাজার টাকা,৩টি মোবাইল,৩টা ব্যাচলাইড,গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দি ইউনিয়নের জামালদি স্টান্ডের ফুটওভার ব্রিজের ওপর আক্রমনাত্মক অবশ্যায় ছুরির মুখে ছিনতাকারীদের দিতে বাধ্য হয়।

 

রবিউল জানায়,রবিবার ১৭ তারিখ ভোর রাত আনুমানিক সাড়ে ৩ টায় বাস থেকে নেমে জামালদি স্টান্ডের ফুট ওভার ব্রিজের উপরে উঠলে তিনজন ছিনতাইকারী ছুরি ঠেকিয়ে টাকা পয়সা,মোবাইল,ও বেচলাইড নিয়ে যায়।রবিউলকে চিৎকার  করতে না করে ছিনতাইকারীরা,চিৎকার করছে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে ভয় দেখিয়েছে।তাছাড়া কয়েক দিন পর পর মেঘনা সেতুতে সংঘবদ্ধ  ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পরতে হয় পথচারীদের।কয়েক মাস আগে এক সেনা সদস্য শ্বশুর বাড়ি আসার পথে ছিনতাইকারীরা মেঘনা সেতুর উপর তার নিকট থেকে ছুরি দেখিয়ে ১০ টাকা সহ ফোন নিয়ে যায় ।এ ছাড়াও কোম্পানিতে চাকরি করা শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত ছিনতাইকারী চক্রের আতঙ্কে থাকছে।একাধিক পথচারী ছিনতাইকারীর ছুরির আঘাতে জখম হয়েছে।সন্ধানর পর পর মেঘনা সেতুর উপর নিচে মাদক সেবী ও ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম  বেড়ে যায়।সারা রাত্র চলে তাদের নানা অপকর্ম।স্থানীয়দের দাবি প্রশাসন শক্ত অবস্থানে নেই,এ সুবিধা টা কাজে লাগাচ্ছে অপরাধ কারীরা।

 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া অংশের মেঘনা সেতুর উপর সহ এর চারপাশ জামালদি স্টান্ডের ফুটওভার ব্রিজ যেনো পথচারীদের জন্য আতঙ্ক।সন্ধ্যা নামলেই মাদক সেবিদের দখলে চলে আসে এ এরিয়া।প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা।

 

মেঘনা সেতুর জামালদি বাসস্ট্যান্ডের ফুটওভার ব্রিজ টি এখন পথচারীদের জন্য যেনো চুরি,ছিনতাই,অঘটন ও মৃত্যুফাঁদ। সন্ধ্যার পর নানা পেশার হাজারো মানুষের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ এ ফুটওভার ব্রিজটি দীর্ঘ যাবত বিদ্যুৎহীন,আলো বিহীন,গভীর গুহার ন্যায় অন্ধকারছন্ন,নিরাপত্তাহীন,ভয় এবং আতঙ্কের এক কেন্দ্রবিন্দু ফুটওভার ব্রিজটির চার পাশের এরিয়া।

 

রাতের সময় বৃদ্ধ,বৃদ্ধা,কিংবা শিশুদের হোঁচট খেয়ে পড়া,ধাক্কা খাওয়া এমনকি অনুমানের উপর ভিত্তি করে সু-উচ্চ ফ্লাইওভার ব্রিজটিতে উঠতে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা জনিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত।তাই মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে অতি দ্রুত বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে পথচারীদের দুর্ভোগ লাগবে কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় পথচলা সাধারণ জনগণ।আলোর ব্যবস্থা হলে হয়তো কিছুটা অভয় পাবে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার কারীরা।

 

মেঘনা সেতুর উপর এবং জামালদি স্টান্ডের ফুটওভারব্রিজের উপর সহ এর আশেপাশে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা  ক্রমশ বেড়েই চলছে প্রশ্নের জবাবে,গজারিয়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)হুমায়ুন কবির জানায়,প্রতিনিয়ত তারা টহল পুলিশ রেখেছে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশের বিভিন্ন পয়েন্টে। শীত কে পুঁজি করে নতুন চুরি ছিনতাই চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে,ওই এরিয়া কে আমরা বিশেষ ভাবে পর্যবেক্ষে করেছে।