১০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবিতে শিক্ষক লাঞ্ছিত: ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ছাত্রশিবিরের প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের উপর হামলা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
শেখ হাসিনার ম্যুরাল ও নৌকা ভাঙচুরের ঘটনায় শিক্ষকের গায়ে হাত তোলা সেই নারী শিক্ষার্থীর বিচারের দাবি জানায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এসময় ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া মব জাস্টিস ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচারের দাবি জানায় ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ।
ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি শহীদ মিনার চত্বর প্রদক্ষিণ করে জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়। এসময় জিরো পয়েন্ট মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
এসময় বক্তব্য রাখেন চবি ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াছিন। তিনি বলেন, আগস্ট মাসে হাসিনা ফালিয়ে গেলেও তার পতিত আত্মা দেশে এখনও বিরাজ করছে। যার ফলে গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে এক ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের গায়ে হাত তুলেছে। আমরা চাই যারা এসব ঘটনায় জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।
চবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, যারা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অপদস্ত ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জড়িত তাদেরকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এমন পদক্ষেপ নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাশসন ব্যর্থ হলে আমরা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ফৌজদারী মামলা করবো।
চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, আমরা সাম্য, মৈত্রী, ফ্যাসিবাদমুক্ত ও বৈষম্যহীন ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে চাই। যারা ফ্যাসিবাদের মতো আচরণ করবে তাদের বিরুদ্ধে চবি ছাত্রদল সর্বদা সোচ্চার থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যেও এখনো অনেক ফ্যাসিবাদের দোসর ঘাপটি মেরে আছে। এদেরকে অবিলম্বে সনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
এসময় সমাবেশে সমাপনী বক্তব্যে চবি ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বোনদের বলতে চাই, আমরা আপনাদের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছি। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে আপনারা এমন কোন আচরণ করবেন না, যার কারণে আপনাদের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের অবস্থান নিতে হয়। আপনারা ছাত্রলীগের নেত্রী ছিলেন, কিন্তু প্রশাসন আপনাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আমরা ছাত্র সংগঠনগুলো আপনাদের প্রতি কিছুটা সহানুভূতিশীল আচরণ করেছি বলেই এখন পর্যন্ত আপনারা হলে থাকতে পারছেন, শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছেন।
এদিকে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চবি শাখা। চবি ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কোরবান আলী এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. পারভীন আক্তারসহ অন্যান্য শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
শাখা সভাপতি মুহাম্মদ ইব্রাহীম এবং সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলী এক যৌথ বিবৃতিতে শিক্ষক এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা, লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়। এই ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় চবি শাখা ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একজন শিক্ষক, যিনি ছাত্রদের নৈতিক শিক্ষা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করেন, তাঁর ওপর এ ধরনের হামলা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। আমরা মনে করি, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা উচিত।
কোনো দলীয় পরিচয়ে অপরাধীদের আড়াল করার অপচেষ্টা করা হলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করবে বলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা পরবর্তী সময়ে যারা এই ঘটনাকে আড়াল করার জন্য পরিকল্পিতভাবে অপচেষ্টা চালিয়েছে তাদেরকেও চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই, যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানায় চবি শাখা ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ।
প্রসঙ্গত  গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা হলের নৌকা প্রতীক ও শেখ হাসিনার ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় একজন সহকারী প্রক্টরের গায়ে হাত তোলেন হলটির নারী শিক্ষার্থী আফসানা এনায়েত এমি। তিনি আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার  এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে শেখ হাসিনা হলের ছাত্রীরা উপাচার্য বাংলোর সামনে অবস্থান করার সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ কোরবান আলীর গায়ে হাত তুলেন আফসানা এনায়েত এমি।
জনপ্রিয় সংবাদ

এবারের বিপিএলে কে কোন পুরস্কার জিতলেন

চবিতে শিক্ষক লাঞ্ছিত: ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ছাত্রশিবিরের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৩:০১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের উপর হামলা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
শেখ হাসিনার ম্যুরাল ও নৌকা ভাঙচুরের ঘটনায় শিক্ষকের গায়ে হাত তোলা সেই নারী শিক্ষার্থীর বিচারের দাবি জানায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এসময় ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া মব জাস্টিস ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচারের দাবি জানায় ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ।
ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি শহীদ মিনার চত্বর প্রদক্ষিণ করে জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়। এসময় জিরো পয়েন্ট মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
এসময় বক্তব্য রাখেন চবি ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াছিন। তিনি বলেন, আগস্ট মাসে হাসিনা ফালিয়ে গেলেও তার পতিত আত্মা দেশে এখনও বিরাজ করছে। যার ফলে গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে এক ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের গায়ে হাত তুলেছে। আমরা চাই যারা এসব ঘটনায় জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।
চবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, যারা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অপদস্ত ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জড়িত তাদেরকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এমন পদক্ষেপ নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাশসন ব্যর্থ হলে আমরা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ফৌজদারী মামলা করবো।
চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, আমরা সাম্য, মৈত্রী, ফ্যাসিবাদমুক্ত ও বৈষম্যহীন ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে চাই। যারা ফ্যাসিবাদের মতো আচরণ করবে তাদের বিরুদ্ধে চবি ছাত্রদল সর্বদা সোচ্চার থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যেও এখনো অনেক ফ্যাসিবাদের দোসর ঘাপটি মেরে আছে। এদেরকে অবিলম্বে সনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
এসময় সমাবেশে সমাপনী বক্তব্যে চবি ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বোনদের বলতে চাই, আমরা আপনাদের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছি। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে আপনারা এমন কোন আচরণ করবেন না, যার কারণে আপনাদের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের অবস্থান নিতে হয়। আপনারা ছাত্রলীগের নেত্রী ছিলেন, কিন্তু প্রশাসন আপনাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আমরা ছাত্র সংগঠনগুলো আপনাদের প্রতি কিছুটা সহানুভূতিশীল আচরণ করেছি বলেই এখন পর্যন্ত আপনারা হলে থাকতে পারছেন, শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছেন।
এদিকে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চবি শাখা। চবি ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কোরবান আলী এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. পারভীন আক্তারসহ অন্যান্য শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
শাখা সভাপতি মুহাম্মদ ইব্রাহীম এবং সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলী এক যৌথ বিবৃতিতে শিক্ষক এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা, লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়। এই ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় চবি শাখা ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একজন শিক্ষক, যিনি ছাত্রদের নৈতিক শিক্ষা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করেন, তাঁর ওপর এ ধরনের হামলা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। আমরা মনে করি, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা উচিত।
কোনো দলীয় পরিচয়ে অপরাধীদের আড়াল করার অপচেষ্টা করা হলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করবে বলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা পরবর্তী সময়ে যারা এই ঘটনাকে আড়াল করার জন্য পরিকল্পিতভাবে অপচেষ্টা চালিয়েছে তাদেরকেও চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই, যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানায় চবি শাখা ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ।
প্রসঙ্গত  গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা হলের নৌকা প্রতীক ও শেখ হাসিনার ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় একজন সহকারী প্রক্টরের গায়ে হাত তোলেন হলটির নারী শিক্ষার্থী আফসানা এনায়েত এমি। তিনি আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার  এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে শেখ হাসিনা হলের ছাত্রীরা উপাচার্য বাংলোর সামনে অবস্থান করার সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ কোরবান আলীর গায়ে হাত তুলেন আফসানা এনায়েত এমি।