০৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর আত্মহত্যা

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে স্বর্না আক্তার (২৫)নামের এক গৃহবধূ। সোমবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার কেওয়া পূর্ব খন্ড আশপাটা (উকিল বাড়ি) তাজউদ্দিনের ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্বর্ণা আক্তার কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর গ্রামের শাহজাহানের মেয়ে। এই এলাকায় থেকে স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন। তার স্বামী হাসান রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। নিহতের স্বজনরা জানান, চার বছর আগে হাসানের সাথে স্বর্ণা আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটা সন্তান রয়েছে। স্বর্ণা প্রায় সময়ই স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হতেন। টাকা পয়সার সমস্যা হলেই হাসান তার স্ত্রী স্বর্ণাকে শ্বশুর বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য মারধর করতো।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে কারখানা থেকে বাসায় আসার পর স্বামীর সাথে ঝগড়া হয় স্বর্ণার। এরপর রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে স্বর্ণা। সোমবার ভোর রাতে তাজউদ্দিনের বাড়া বাড়িতে স্বর্ণা ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।নিহতের বাবা শাহজাহান কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ‘বড় শখ করে মেয়েটাকে হাসানের সাথে বিয়ে দিয়েছিলাম।বিয়ের পর থেকেই টাকার জন্য আমার মেয়েকে চাপ দিতো হাসান। আমার টাকা দিয়ে হাসান তার গ্রামে ঘরবাড়ি করল। এক সপ্তাহ ধরে আবার টাকার জন্য চাপ দিতেছিল। মেয়ে টাকে বাড়িতে বা রাস্তায় প্রায় সময় মারধর করতো তার স্বামী। স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেড়ে মেয়েটা আমার আত্মহত্যার পথ বেছে নিছে। আমি এর বিচার চাই।’ শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক এসআই মাহবুব বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর হয়েছে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

কু‌ড়িগ্রামে এক প্রধান শিক্ষক‌’কে দা‌য়িত্ব থে‌কে স্থ‌গিত

স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০২:০৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে স্বর্না আক্তার (২৫)নামের এক গৃহবধূ। সোমবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার কেওয়া পূর্ব খন্ড আশপাটা (উকিল বাড়ি) তাজউদ্দিনের ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্বর্ণা আক্তার কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর গ্রামের শাহজাহানের মেয়ে। এই এলাকায় থেকে স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন। তার স্বামী হাসান রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। নিহতের স্বজনরা জানান, চার বছর আগে হাসানের সাথে স্বর্ণা আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটা সন্তান রয়েছে। স্বর্ণা প্রায় সময়ই স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হতেন। টাকা পয়সার সমস্যা হলেই হাসান তার স্ত্রী স্বর্ণাকে শ্বশুর বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য মারধর করতো।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে কারখানা থেকে বাসায় আসার পর স্বামীর সাথে ঝগড়া হয় স্বর্ণার। এরপর রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে স্বর্ণা। সোমবার ভোর রাতে তাজউদ্দিনের বাড়া বাড়িতে স্বর্ণা ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।নিহতের বাবা শাহজাহান কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ‘বড় শখ করে মেয়েটাকে হাসানের সাথে বিয়ে দিয়েছিলাম।বিয়ের পর থেকেই টাকার জন্য আমার মেয়েকে চাপ দিতো হাসান। আমার টাকা দিয়ে হাসান তার গ্রামে ঘরবাড়ি করল। এক সপ্তাহ ধরে আবার টাকার জন্য চাপ দিতেছিল। মেয়ে টাকে বাড়িতে বা রাস্তায় প্রায় সময় মারধর করতো তার স্বামী। স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেড়ে মেয়েটা আমার আত্মহত্যার পথ বেছে নিছে। আমি এর বিচার চাই।’ শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক এসআই মাহবুব বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর হয়েছে।’