খুলনা বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
(কুয়েটে) এ শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে কক্সবাজার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।
বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, বিকেল ৩টা শহরের কালুর দোকান মোড়ে কক্সবাজার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাংশ জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে শহরের গুনগান তালা শহীদ মিনারে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রাখেন, কক্সবাজার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সাহেদুল ওয়াহিদ সাহেদ, রিয়াদ মনি, একরামুল হক। বক্তারা দ্রুত হামলাকারী ও নির্যাতনকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান।
কক্সবাজার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সমন্বয়ক একরাম বলেন, যে সমস্ত সন্ত্রাসী বাহিনী,গুন্ডা বাহিনী শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করেছে তার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সন্ত্রাসী কখনো কোনো দল হত পারে না। তাদের একমাত্র পরিচয় তারা সন্ত্রাসী। তাই আমার ভাইদের উপর যারা হামলা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হউক। যদি তাদের গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয় তাহলে সাধারণ ছাত্র জনতা আবারও আন্দোলন গড়ে তুলবে।
সমন্বয়ক সাহিদুল ওয়াহিদ শাহেদ বলেন, কুয়েটে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর যে ন্যাক্কারজনক হামলা ঘটেছে সেটি তারা সন্ত্রাসী ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। তাই অতিবিলম্বে এসব সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
রিয়াদ মনি তার বক্তব্যে বলেন,আমরা এই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা থেকে একটা বার্তা দিতে চাই,যারা গুপ্ত হামলা করে, যারা গুপ্ত পরিচয় বহন করে আমরা তাদের সন্ত্রাসী দল বলি।যারা গুপ্তভাবে নিজের পরিচয় গোপন করে হঠাৎ হামলায় লিপ্ত হয় তাদের আমরা সন্ত্রাসী বলি। ছাত্রদল বা ছাত্রশিবিরের মাধ্যমে যারা এ হামলা করেছে অতি দ্রুত তাদের বহিস্কার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
এসময় বিভিন্ন স্লোগানে মুখোরিত করে তোলে তারা। ‘সন্ত্রাসীরা হামলা করে, কুয়েট ভিসি কি করে’, ‘আবু সাঈদের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, ইনকিলাব জিন্দাবাদ। আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না।

























