০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষাঙ্গনে অস্ত্রের রাজনীতি: শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জুবায়েরের

শিক্ষাঙ্গনে সহিংস রাজনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন দিনাজপুর জেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু জুবায়ের। সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রদলের অস্ত্রবাজির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “শিক্ষা নয়, সহিংসতা চাইছে কারা?”

 

তিনি উল্লেখ করেন, “যখন একটি রাজনৈতিক সংগঠন সহিংস পথ বেছে নেয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রতিপক্ষও প্রতিরোধের প্রস্তুতি নেয়। ছাত্রদলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড যদি শিবিরকে পাল্টা প্রতিরোধে উসকে দেয়, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংঘাতের ময়দানে পরিণত হবে।”

 

তার মতে, এর ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও নিরাপত্তা চরমভাবে ব্যাহত হবে এবং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে। তাই তিনি সকল পক্ষকে সংযত থেকে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।

 

তিনি আরও বলেন, “পেশিশক্তি কমবেশি সবারই আছে, তাই কেউ বাহাদুরি দেখানোর চেষ্টা করবেন না। নতুবা আপনাদেরও শেষ পরিণতি কী হতে পারে, আশা করি বুঝতে পারছেন।”

 

বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “শিক্ষাঙ্গন কোনো সংঘাতের জায়গা নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ার স্থান। তাই অস্ত্রের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।”

 

বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে সংযত ভূমিকা নিতে হবে। অন্যথায়, সহিংসতা আরও বিস্তৃত হতে পারে, যা গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে সংকটে ফেলবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারের বিপিএলে কে কোন পুরস্কার জিতলেন

শিক্ষাঙ্গনে অস্ত্রের রাজনীতি: শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জুবায়েরের

আপডেট সময় : ০৩:১০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

শিক্ষাঙ্গনে সহিংস রাজনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন দিনাজপুর জেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু জুবায়ের। সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রদলের অস্ত্রবাজির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “শিক্ষা নয়, সহিংসতা চাইছে কারা?”

 

তিনি উল্লেখ করেন, “যখন একটি রাজনৈতিক সংগঠন সহিংস পথ বেছে নেয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রতিপক্ষও প্রতিরোধের প্রস্তুতি নেয়। ছাত্রদলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড যদি শিবিরকে পাল্টা প্রতিরোধে উসকে দেয়, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংঘাতের ময়দানে পরিণত হবে।”

 

তার মতে, এর ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও নিরাপত্তা চরমভাবে ব্যাহত হবে এবং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে। তাই তিনি সকল পক্ষকে সংযত থেকে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।

 

তিনি আরও বলেন, “পেশিশক্তি কমবেশি সবারই আছে, তাই কেউ বাহাদুরি দেখানোর চেষ্টা করবেন না। নতুবা আপনাদেরও শেষ পরিণতি কী হতে পারে, আশা করি বুঝতে পারছেন।”

 

বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “শিক্ষাঙ্গন কোনো সংঘাতের জায়গা নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ার স্থান। তাই অস্ত্রের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।”

 

বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে সংযত ভূমিকা নিতে হবে। অন্যথায়, সহিংসতা আরও বিস্তৃত হতে পারে, যা গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে সংকটে ফেলবে।