০৫:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মারা যাওয়ার ৭০ দিন পর মৃত ব্যক্তির নামে মামলা

গাজীপুরের শ্রীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলায় এক মৃত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। অথচ মামলা হওয়ার ৭০দিন আগেই ওই ব্যক্তি মারা গেছে। তাকে মামলার ৩০১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। তিনি উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সিংগারদীঘি গ্রামের মৃত জিল্লুর রহমান মোড়লের ছেলে
হারুন মোড়ল (৫০)। অবশ্য বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় সে জীবিত ছিলেন। তাছাড়া তিনি মাওনা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। কিন্তু ২০ ফেব্রুয়ারি হত্যা মামলাটি করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত কলেজ ছাত্র মাসুম বিল্লাহর মা মোসা. মোর্শেদা খাতুন।
এর আগে গত ৫ আগস্ট উপজেলার মাওনা চৌরাস্তার উড়াল সেতুর উত্তর পাশে নির্বিচারে ছোড়া গুলিতে ওই কলেজছাত্র মারা যায় বলে জানান তাঁর স্বজনরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৃত আসামি হারুন মোড়লের মা হামিদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের নামে মামলা হইছে এটা আমার জানা ছিল না। মারা যাওয়ার ৭০ দিন পর আমার ছেলের নামে মামলা হয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।’ মৃত আসামি হারুন মোড়লের মেয়ে জান্নাত বলেন, ‘গতকাল শোনলাম আমার বাবার নামে মামলা হইছে। মৃত ব্যক্তির নামে মামলা হয় কি ভাবে? আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।’ হারুন মোড়লের ছেলে  সিয়াম বলেন, ‘আমার বাবা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতো। যখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলছে তখন আমার বাবা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।’ এ বিষয়ে মামলার বাদী মোসা. মোর্শেদা খাতুন বলেন, ‘ মামলার ৩০১ নাম্বার আসামি মারা গেছে আমি জানতাম না। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হবে।’ শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বলেন, ‘মৃত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে এমন তথ্য আমার জানা নাই।’ এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়াকৈর সার্কেল) আফজাল হোসেন কে একাধিক বার ফোন করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারের বিপিএলে কে কোন পুরস্কার জিতলেন

মারা যাওয়ার ৭০ দিন পর মৃত ব্যক্তির নামে মামলা

আপডেট সময় : ০২:২১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

গাজীপুরের শ্রীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলায় এক মৃত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। অথচ মামলা হওয়ার ৭০দিন আগেই ওই ব্যক্তি মারা গেছে। তাকে মামলার ৩০১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। তিনি উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সিংগারদীঘি গ্রামের মৃত জিল্লুর রহমান মোড়লের ছেলে
হারুন মোড়ল (৫০)। অবশ্য বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় সে জীবিত ছিলেন। তাছাড়া তিনি মাওনা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। কিন্তু ২০ ফেব্রুয়ারি হত্যা মামলাটি করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত কলেজ ছাত্র মাসুম বিল্লাহর মা মোসা. মোর্শেদা খাতুন।
এর আগে গত ৫ আগস্ট উপজেলার মাওনা চৌরাস্তার উড়াল সেতুর উত্তর পাশে নির্বিচারে ছোড়া গুলিতে ওই কলেজছাত্র মারা যায় বলে জানান তাঁর স্বজনরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৃত আসামি হারুন মোড়লের মা হামিদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের নামে মামলা হইছে এটা আমার জানা ছিল না। মারা যাওয়ার ৭০ দিন পর আমার ছেলের নামে মামলা হয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।’ মৃত আসামি হারুন মোড়লের মেয়ে জান্নাত বলেন, ‘গতকাল শোনলাম আমার বাবার নামে মামলা হইছে। মৃত ব্যক্তির নামে মামলা হয় কি ভাবে? আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।’ হারুন মোড়লের ছেলে  সিয়াম বলেন, ‘আমার বাবা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতো। যখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলছে তখন আমার বাবা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।’ এ বিষয়ে মামলার বাদী মোসা. মোর্শেদা খাতুন বলেন, ‘ মামলার ৩০১ নাম্বার আসামি মারা গেছে আমি জানতাম না। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হবে।’ শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বলেন, ‘মৃত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে এমন তথ্য আমার জানা নাই।’ এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়াকৈর সার্কেল) আফজাল হোসেন কে একাধিক বার ফোন করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।