০৫:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চালুর চারদিন পর যমুনায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সার উৎপাদন বন্ধ

দেশের বৃহৎ দৈনিক ১৭শ’ মেট্রিকটন ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানায় এ্যামোনিয়া প্ল্যান্টের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবার উৎপাদন বন্ধ।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যার দিকে এ্যামোনিয়া প্ল্যান্টে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ। ১৩ মাস ২৩ দিন কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকার পর ২৩ ফেব্রুয়ারী বিকেলে গ্যাসে সংকটের দায় দিয়ে ৬০ ভাগ হারে উৎপাদন শুরু হলেও ৪ দিন যেতে না যেতেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফের উৎপাদন বন্ধ হলো। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার প্রশাসন জিএম দেলোয়ার হোসেন।

যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবু সালেহ্ মুহাম্মদ মোসলেহ উদ্দীন জানান, এ্যামোনিয়া প্ল্যান্টের ভাল্বে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ায় কারখানার উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বুধবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে আমরা কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দিই। দ্রুত মেরামত কাজ চলছে। কাজ শেষ হলেই যে কোন সময় আমরা ফের উৎপাদনে যেতে সক্ষম হবো।

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারের বিপিএলে কে কোন পুরস্কার জিতলেন

চালুর চারদিন পর যমুনায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সার উৎপাদন বন্ধ

আপডেট সময় : ০৪:২৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

দেশের বৃহৎ দৈনিক ১৭শ’ মেট্রিকটন ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানায় এ্যামোনিয়া প্ল্যান্টের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবার উৎপাদন বন্ধ।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যার দিকে এ্যামোনিয়া প্ল্যান্টে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ। ১৩ মাস ২৩ দিন কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকার পর ২৩ ফেব্রুয়ারী বিকেলে গ্যাসে সংকটের দায় দিয়ে ৬০ ভাগ হারে উৎপাদন শুরু হলেও ৪ দিন যেতে না যেতেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফের উৎপাদন বন্ধ হলো। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার প্রশাসন জিএম দেলোয়ার হোসেন।

যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবু সালেহ্ মুহাম্মদ মোসলেহ উদ্দীন জানান, এ্যামোনিয়া প্ল্যান্টের ভাল্বে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ায় কারখানার উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বুধবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে আমরা কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দিই। দ্রুত মেরামত কাজ চলছে। কাজ শেষ হলেই যে কোন সময় আমরা ফের উৎপাদনে যেতে সক্ষম হবো।