১০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কর্ণফুলী নদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা নেই

কর্ণফুলী নদীতে জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হাই
কোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। এর ফলে ওই
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন রিটকারী পক্ষের
আইনজীবী। জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ এ
রায় দেয়। রিটকারী সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি)
পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি
জেনারেল অনিক আর হক এবং জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
মাহবুব উদ্দীন খোকন
মনজিল মোরসেদ বলেন, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী রক্ষায় জনস্বার্থে এইচআরপিবি
একটি রিট আবেদন দায়ের করে। শুনানি শেষে হাই কোর্ট রায়ে নদীর ভেতরে থাকা সব
স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়। রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক অবৈধ
স্থাপনা উচ্ছেদের নোটিস দেন। ওই নোটিস পাওয়ার পর জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি হাই
কোর্ট একটি রিট দায়ের করে এবং স্থিতাবস্থার আদেশ পায়। রিটে এইচআরপিবি পক্ষভুক্ত
হয়ে রিট খারিজের আবেদন জানায়।
তিনি বলেন, শুনানি শেষে হাই কোর্ট রায়ে বলে, হাই কোর্টের দেওয়া কর্ণফুলী নদী রক্ষার
রায়ের নির্দেশনা পালনে কোনো বাধা নেই। রায়ের বিরুদ্ধে জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি
আপিল বিভাগে যায়, যা খারিজ হয়ে গেল। এখন কর্ণফুলী নদীতে জাতীয় মৎস্যজীবী
সমিতির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারের বিপিএলে কে কোন পুরস্কার জিতলেন

কর্ণফুলী নদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা নেই

আপডেট সময় : ০৫:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

কর্ণফুলী নদীতে জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হাই
কোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। এর ফলে ওই
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন রিটকারী পক্ষের
আইনজীবী। জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ এ
রায় দেয়। রিটকারী সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি)
পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি
জেনারেল অনিক আর হক এবং জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
মাহবুব উদ্দীন খোকন
মনজিল মোরসেদ বলেন, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী রক্ষায় জনস্বার্থে এইচআরপিবি
একটি রিট আবেদন দায়ের করে। শুনানি শেষে হাই কোর্ট রায়ে নদীর ভেতরে থাকা সব
স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়। রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক অবৈধ
স্থাপনা উচ্ছেদের নোটিস দেন। ওই নোটিস পাওয়ার পর জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি হাই
কোর্ট একটি রিট দায়ের করে এবং স্থিতাবস্থার আদেশ পায়। রিটে এইচআরপিবি পক্ষভুক্ত
হয়ে রিট খারিজের আবেদন জানায়।
তিনি বলেন, শুনানি শেষে হাই কোর্ট রায়ে বলে, হাই কোর্টের দেওয়া কর্ণফুলী নদী রক্ষার
রায়ের নির্দেশনা পালনে কোনো বাধা নেই। রায়ের বিরুদ্ধে জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি
আপিল বিভাগে যায়, যা খারিজ হয়ে গেল। এখন কর্ণফুলী নদীতে জাতীয় মৎস্যজীবী
সমিতির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আর কোনো বাধা রইল না।