দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখতে, পুলিশের ওপর হামলাকারী ও তাদের দোসরদের বিচারের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইনকিলাব মঞ্চ।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে শিক্ষার্থীরা স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে ২০১৩ সালে শাহবাগে গড়ে ওঠা প্ল্যাটফরম ‘গণজাগরণ মঞ্চের’ আলোচিত মুখ লাকি আক্তারের গ্রেফতারের দাবি জানান। এছাড়াও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সূচনাকারী ও ফ্যাসিস্ট দোসরদের গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে বিক্ষোভটি শুরু হয়ে বরিশাল -কুয়াকাটা মহাসড়ক দিয়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটে এসে শেষ হয়৷
বিক্ষোভ সমাবেশে দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী সিয়াম বলেন, বাংলাদেশ বিদেশি প্রেসক্রিপশনে চলবে না। ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসন আমলে শাহবাগীরা দেশের বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ভয়াবহ ষড়যন্ত্র করেছে৷ আমরা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বলে দিতে চাই এটা ২০২৫ সাল ২০১৩ নয়। এদেশের মানুষ যুদ্ধ করে হাসিনা রেজিমের পতন ঘটিয়েছে। শাহবাগীরা যদি মনে করে আগের রেজিমের মতো তারা নীল-নকশা বাস্তবায়ন করবে তাদেরকে সে সুযোগ দেওয়া হবে না৷
আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মঈনুদ্দিন বলেন, ফ্যাসিবাদী হাসিনা ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল শক্তিকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে যে নাট্যমঞ্চের মাধ্যমে সেই নাট্যমঞ্চের নাম গণজাগরণ মঞ্চ। এটি গণজাগরণ মঞ্চ নয় এটি ছিলো গণতন্ত্র বিরোধী মঞ্চ। শাহবাগী লাকি আক্তারসহ যারা দেশকে আবারো অস্থিতিশীল করার করার যে পাঁয়তারা করছে তাদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে৷
এসময় ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি দেওয়া হয়৷
১.ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে ৯০ দিনের মধ্যে মামলা নিস্পত্তির ব্যবস্থা করা।
২.দায়িত্বরত নিরস্ত্র পুলিশের উপর হামলাকারীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা৷
৩.লাকি আক্তার ও তাদের রাষ্ট্রদ্রোহী দোসরদের গ্রেফতার করে শাহবাগের ২০১৩ সালের রাষ্ট্রবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র উন্মোচন করা।
৪.জাতিসংঘকে অন্তর্ভুক্ত করে শাপলা ও পিলখানা গণহত্যার স্বাধীন বিচারিক তদন্ত কমিশন গঠন করে এই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার করতে হবে।
৫. অবিলম্বে জুলাই গণহত্যার দৃশ্যমান বিচারিক কার্যক্রম শুরু করে গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে।





















