০৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় হিমাগারে আলু রাখতে চরম ভোগান্তিতে কৃষক

 গাইবান্ধায় আলুর ভালো ফলন হয়েছে। বাজারে চাহিদার তুলনায় জোগান বেশি হওয়ায় আলুর দাম কম। ক্ষতি কমাতে কৃষক হিমাগারে আলু রেখে পরে বিক্রির চিন্তা করছেন। হিমাগারে কৃষকের ভিড় বাড়ছে। চাহিদা অনুযায়ী হিমঘরে জায়গা না থাকায় আলু রাখতে না পেরে ফেরত যাচ্ছেন অনেকে। হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করতে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা ও বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে চাষিদের। বুকিং কার্ড থাকলেও আলু নিয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে কৃষককে। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় হিমাগারের বাইরে আটকে আছে আলু বহনকারী শত শত ট্রাক। এতে কৃষকের পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়েছে যানবাহনের চালকরা। মালিকেরা হিমাগার পরিচালনার খরচ বাড়ার কথা বলে ভাড়া বাড়িয়েছেন। হিমাগারের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় দালাল ও ফড়িয়াদের সঙ্গে আঁতাত করে ব্যবসায়ীরা আলু সংরক্ষণের অগ্রিম বুকিং কার্ড হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষকেরা হিমাগারে আলু রাখতে পারছেন না। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ১২হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আলু চাষ হয়েছে ১৪ হাজার ৪৯৭ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ১০৪ হেক্টর জমিতে। চাষ হয়েছে ৯ হাজার ৩১৮ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ না হওয়ায় আলুর বা¤পার ফলন হয়েছে। চাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০২৩ সালে হিমাগারে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণে চাষিদের দিতে হতো ৩ টাকা ৫৭ পয়সা। ২০২৪ সালে তা বাড়িয়ে করা হয় ৫ টাকা ২০ পয়সা। আর চলতি মৌসুমে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণে হিমাগার ভাড়া হয়েছে ৮ টাকা। গত বছরের চেয়ে এবার ভাড়া বেড়েছে ২ টাকা ৮০ পয়সা। এতে ৬৫ কেজির এক বস্তা আলুর ভাড়া হয় ৫২০ টাকা। অগ্রিম বুকিং কার্ড নিতে দিতে হচ্ছে ৫০ টাকা। হিমাগার কর্তৃপক্ষ বলেন, গত বছর যে এক বস্তায় ৬৫-৬৬ কেজি পর্যন্ত আলু রাখা হয়েছিল। এবার বস্তায় ৫০ কেজি করে রাখতে হবে। উৎপাদিত আলু সংরক্ষণের জন্য গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বকচর হিমাদ্রি কোল্ডস্টোরেজ-১, গোবিন্দগঞ্জ কোল্ডস্টোরেজ-২ ও উপজেলার সূর্যগাড়ি এলাকায় ১টি এবং সাপমারা এলাকায় অ্যাপেক্স অ্যাগ্রিসায়েন্স লিমিটেড নামে ৪টি হিমাগার রয়েছে। এছাড়াও সাদুল্লাপুর উপজেলায় আরভি কোল্ডস্টোরেজ ও সুন্দরগঞ্জে আশরাফ আলী কোল্ডস্টোরেজ রয়েছে। ছয়টি হিমাগারে ৫২ হাজার ৭৬০ টন আলু সংরক্ষণ করার সুযোগ রয়েছে। এরই মধ্যে হিমাগারগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে। ফলে কৃষকেরা সংরক্ষণের সুযোগ না পেয়ে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে দাম কমে গিয়ে কৃষকেরা লোকসানে পড়েছে। কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, সেহরি খেয়ে হিমাগারে আলু নিয়ে এসেছি। পরদিন রাত ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও আলু রাখতে না পেরে ফেরত ঢেতে হয়েছে। আলুচাষিরা প্রতিবছর হিমাগার মালিকদের ছলচাতুরীর মধ্যে পড়ে। এখন আলুর দাম কম। আলু হিমাগারে রেখে বছরের মাঝামাঝি সময়ে দাম বাড়লে বিক্রির আশা করেছিলেন কৃষকেরা। হুট করে হিমাগার মালিকেরা ভাড়া বাড়িয়েছেন। হিমাগারের ভাড়া বৃদ্ধি ও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও আলু রাখার বুকিং কার্ড না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছে কৃষকগণ। আলু রাখার ¯ি¬প কার্ড দেওয়া শুরু হয় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি। ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ¯ি¬প কার্ড দিয়েছে হিমাগার কর্তৃপক্ষ। ১৮ ফেব্রুয়ারি শত শত আলুচাষি বুকিং কার্ডের দাবিতে গোবিন্দগঞ্জে হিমাদ্রি কোল্ড স্টোরেজের মেইন গেট অবরুদ্ধ এবং ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরোধ করে। কৃষকদের অভিযোগ, হিমাগার কর্তৃপক্ষ যোগসাজশ করে মজুতকারীদের আলু সংরক্ষণের কার্ড আগেভাগেই দিয়ে দিয়েছে। ফলে হিমাগারে আলু সংরক্ষণের কার্ড থেকে সাধারণ আলুচাষিরা বঞ্চিত হয়েছে। দিন-রাত ট্রলি, ট্রাক্টর, ভ্যানে করে ব্যবসায়ী ও মজুতকারীদের হাজার হাজার বস্তা আলু হিমাগারে প্রবেশ করছে। বুকিং কার্ড না পেয়ে কৃষকেরা ক্ষেত থেকে আলু বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। হিমাদ্রি কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার মোজাম্মেল হক বলেন, বুকিং কার্ড শেষ হয়ে গেছে। বিগত বছর আমাদের হিমাগারে আলু রাখা ব্যবসায়ীদের এবারও বুকিং কার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে তা পরিমাণে অনেক কম। বুকিং কার্ড কালোবাজারে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।গোবিন্দগঞ্জ কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার সজীব বলেন, আমরা স্থানীয় কৃষকদের অগ্রাধিকার দিচ্ছি। মজুতদারদের কোনো কার্ড দেওয়া হচ্ছে না। কৃষকেরা ৫ থেকে ১০ বস্তা করে আলু নিয়ে এলে কোল্ডস্টোরেজে রাখার কোনো সমস্যা হবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের কোল্ডস্টোরেজ দুটির ধারণক্ষমতা প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ বস্তা। এখন পর্যন্ত ১ লক্ষ ২০ হাজার বস্তা আলু বুকিং হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, কৃষকেরা যাতে তাদের উৎপাদিত আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করতে পারে এ জন্য নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। হিমাগার মালিক সমিতি আমাদের জানিয়েছেন হিমাগারগুলোয় যথেষ্ট জায়গা ফাঁকা রয়েছে। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. খোরশেদ আলম বলেন, এবার আলু উৎপাদনের জন্য আবহাওয়া ভালো ছিল। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে জেলায় প্রায় দেড় গুণ বেশি আলু উৎপাদন হয়েছে। সব কৃষক যাতে করে কমপক্ষে বীজ হিসেবে আলু সংরক্ষণ করতে পারেন সে জন্য কোল্ড স্টোরেজের মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুশিক্ষা ছাড়া সুনাগরিক গড়ে ওঠে না : ড. আবদুল  মঈন খান

গাইবান্ধায় হিমাগারে আলু রাখতে চরম ভোগান্তিতে কৃষক

আপডেট সময় : ০৮:২০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

 গাইবান্ধায় আলুর ভালো ফলন হয়েছে। বাজারে চাহিদার তুলনায় জোগান বেশি হওয়ায় আলুর দাম কম। ক্ষতি কমাতে কৃষক হিমাগারে আলু রেখে পরে বিক্রির চিন্তা করছেন। হিমাগারে কৃষকের ভিড় বাড়ছে। চাহিদা অনুযায়ী হিমঘরে জায়গা না থাকায় আলু রাখতে না পেরে ফেরত যাচ্ছেন অনেকে। হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করতে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা ও বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে চাষিদের। বুকিং কার্ড থাকলেও আলু নিয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে কৃষককে। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় হিমাগারের বাইরে আটকে আছে আলু বহনকারী শত শত ট্রাক। এতে কৃষকের পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়েছে যানবাহনের চালকরা। মালিকেরা হিমাগার পরিচালনার খরচ বাড়ার কথা বলে ভাড়া বাড়িয়েছেন। হিমাগারের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় দালাল ও ফড়িয়াদের সঙ্গে আঁতাত করে ব্যবসায়ীরা আলু সংরক্ষণের অগ্রিম বুকিং কার্ড হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষকেরা হিমাগারে আলু রাখতে পারছেন না। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ১২হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আলু চাষ হয়েছে ১৪ হাজার ৪৯৭ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ১০৪ হেক্টর জমিতে। চাষ হয়েছে ৯ হাজার ৩১৮ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ না হওয়ায় আলুর বা¤পার ফলন হয়েছে। চাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০২৩ সালে হিমাগারে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণে চাষিদের দিতে হতো ৩ টাকা ৫৭ পয়সা। ২০২৪ সালে তা বাড়িয়ে করা হয় ৫ টাকা ২০ পয়সা। আর চলতি মৌসুমে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণে হিমাগার ভাড়া হয়েছে ৮ টাকা। গত বছরের চেয়ে এবার ভাড়া বেড়েছে ২ টাকা ৮০ পয়সা। এতে ৬৫ কেজির এক বস্তা আলুর ভাড়া হয় ৫২০ টাকা। অগ্রিম বুকিং কার্ড নিতে দিতে হচ্ছে ৫০ টাকা। হিমাগার কর্তৃপক্ষ বলেন, গত বছর যে এক বস্তায় ৬৫-৬৬ কেজি পর্যন্ত আলু রাখা হয়েছিল। এবার বস্তায় ৫০ কেজি করে রাখতে হবে। উৎপাদিত আলু সংরক্ষণের জন্য গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বকচর হিমাদ্রি কোল্ডস্টোরেজ-১, গোবিন্দগঞ্জ কোল্ডস্টোরেজ-২ ও উপজেলার সূর্যগাড়ি এলাকায় ১টি এবং সাপমারা এলাকায় অ্যাপেক্স অ্যাগ্রিসায়েন্স লিমিটেড নামে ৪টি হিমাগার রয়েছে। এছাড়াও সাদুল্লাপুর উপজেলায় আরভি কোল্ডস্টোরেজ ও সুন্দরগঞ্জে আশরাফ আলী কোল্ডস্টোরেজ রয়েছে। ছয়টি হিমাগারে ৫২ হাজার ৭৬০ টন আলু সংরক্ষণ করার সুযোগ রয়েছে। এরই মধ্যে হিমাগারগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে। ফলে কৃষকেরা সংরক্ষণের সুযোগ না পেয়ে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে দাম কমে গিয়ে কৃষকেরা লোকসানে পড়েছে। কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, সেহরি খেয়ে হিমাগারে আলু নিয়ে এসেছি। পরদিন রাত ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও আলু রাখতে না পেরে ফেরত ঢেতে হয়েছে। আলুচাষিরা প্রতিবছর হিমাগার মালিকদের ছলচাতুরীর মধ্যে পড়ে। এখন আলুর দাম কম। আলু হিমাগারে রেখে বছরের মাঝামাঝি সময়ে দাম বাড়লে বিক্রির আশা করেছিলেন কৃষকেরা। হুট করে হিমাগার মালিকেরা ভাড়া বাড়িয়েছেন। হিমাগারের ভাড়া বৃদ্ধি ও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও আলু রাখার বুকিং কার্ড না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছে কৃষকগণ। আলু রাখার ¯ি¬প কার্ড দেওয়া শুরু হয় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি। ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ¯ি¬প কার্ড দিয়েছে হিমাগার কর্তৃপক্ষ। ১৮ ফেব্রুয়ারি শত শত আলুচাষি বুকিং কার্ডের দাবিতে গোবিন্দগঞ্জে হিমাদ্রি কোল্ড স্টোরেজের মেইন গেট অবরুদ্ধ এবং ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরোধ করে। কৃষকদের অভিযোগ, হিমাগার কর্তৃপক্ষ যোগসাজশ করে মজুতকারীদের আলু সংরক্ষণের কার্ড আগেভাগেই দিয়ে দিয়েছে। ফলে হিমাগারে আলু সংরক্ষণের কার্ড থেকে সাধারণ আলুচাষিরা বঞ্চিত হয়েছে। দিন-রাত ট্রলি, ট্রাক্টর, ভ্যানে করে ব্যবসায়ী ও মজুতকারীদের হাজার হাজার বস্তা আলু হিমাগারে প্রবেশ করছে। বুকিং কার্ড না পেয়ে কৃষকেরা ক্ষেত থেকে আলু বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। হিমাদ্রি কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার মোজাম্মেল হক বলেন, বুকিং কার্ড শেষ হয়ে গেছে। বিগত বছর আমাদের হিমাগারে আলু রাখা ব্যবসায়ীদের এবারও বুকিং কার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে তা পরিমাণে অনেক কম। বুকিং কার্ড কালোবাজারে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।গোবিন্দগঞ্জ কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার সজীব বলেন, আমরা স্থানীয় কৃষকদের অগ্রাধিকার দিচ্ছি। মজুতদারদের কোনো কার্ড দেওয়া হচ্ছে না। কৃষকেরা ৫ থেকে ১০ বস্তা করে আলু নিয়ে এলে কোল্ডস্টোরেজে রাখার কোনো সমস্যা হবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের কোল্ডস্টোরেজ দুটির ধারণক্ষমতা প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ বস্তা। এখন পর্যন্ত ১ লক্ষ ২০ হাজার বস্তা আলু বুকিং হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, কৃষকেরা যাতে তাদের উৎপাদিত আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করতে পারে এ জন্য নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। হিমাগার মালিক সমিতি আমাদের জানিয়েছেন হিমাগারগুলোয় যথেষ্ট জায়গা ফাঁকা রয়েছে। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. খোরশেদ আলম বলেন, এবার আলু উৎপাদনের জন্য আবহাওয়া ভালো ছিল। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে জেলায় প্রায় দেড় গুণ বেশি আলু উৎপাদন হয়েছে। সব কৃষক যাতে করে কমপক্ষে বীজ হিসেবে আলু সংরক্ষণ করতে পারেন সে জন্য কোল্ড স্টোরেজের মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছি।