০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রশাসকের হুঁশিয়ারিতে ও সংকট কাটেনি ভোজ্যতেলের

জেলা প্রশাসকের হুঁশিয়ারি, দফায় দফায় আমদানিকারক ও আড়তদারদের সঙ্গে বৈঠকের পরও
ভোজ্যতেলের সংকট কাটেনি। বরং সংকট দিন দিন আরও বাড়ছে। অন্যদিকে প্রশাসনের
বেঁধে দেওয়া দামে কোথাও মিলছে না ভোজ্যতেল। নির্বারিত দামের চেয়ে লিটারপ্রতি
২৫-৩০ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পণ্যটি। বাজারে দফায় দফায় অভিযান পরিচালনা করে
সংকটের সমাধান করতে পারছে না প্রশাসন। অথচ রমজানকে সামনে রেখে চাহিদার
অতিরিক্ত ভোজ্যতেল আমদানি করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ভোজ্যতেলের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। সয়াবিন তেল নেই
বললেই চলে। এদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভোজ্যতেল ডিলাররা সরবরাহ করছে। নিয়মিত
ক্রেতাদের ভোজ্যতেল দিতে অতিরিক্ত দামে কিনে তা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। জেলা
প্রশাসন শুধু হুমকি-ধমকি দেয়। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। শুধু খুচরা পর্যায়ে
দোকানগুলোতে লোক দেখানো মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে। সঙ্গে মিডিয়া নিয়ে
এসে প্রচার করা হচ্ছে। প্রশাসন কিন্তু ডিলার এবং মিলারদের গুদামে যাচ্ছে না। ওখানে
মিডিয়া নিয়ে প্রশাসন অভিযান চালালে আসল চিত্র দেখা যাবে, সংকট খুচরা পর্যায়ে
নাকি ডিলার-মিল পর্যায়ে।
৪ মার্চ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন,
‘আমি দেখতে চাই, রাষ্ট্রের শক্তি বেশি না ব্যবসায়ীদের শক্তি। তেলের সাপ্লাই যদি পর্যাপ্ত
না হয়, তবে গুদাম পর্যায়ে অভিযান চালানো হবে। কীভাবে ভোক্তা তেল পাবে, সেই ব্যবস্থা
করুন। না হয় রাষ্ট্র ব্যবস্থা নেবে। আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমি এবার শুধু
জরিমানা করব না, কারাদণ্ডও দেব। বড় গ্রুপগুলোর কোনো কর্মকর্তাকে অনিয়মে
সম্পৃক্ততা পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।
আমাদের সঙ্গে ছাত্র সমন্বয়করাও থাকবেন। দেখি কার শক্তি বেশি। এ হুঁশিয়ারির এক
সপ্তাহের বেশি সময় পরও বাজারে স্বাভাবিক হয়নি বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ।
কোথাও বেশি দামে দু-এক বোতল মিললেও অধিকাংশ জায়গায় মিলছে না। বোতলের গায়ে
লেখা সর্বোচ্চ দামে সয়াবিন তেল কিনতে খুচরা বিক্রেতাদের বাধ্য করছেন ডিলাররা।
একই কোম্পানির অপ্রচলিত অন্য পণ্য কিনতেও বাধ্য করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চাহিদার ২৫ শতাংশ ভোজ্যতেলও মিলছে না। একাধিক সিন্ডিকেট
ভোজ্যতেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ
রয়েছে। খুচরা থেকে পাইকারি বাজার-কোথাও মিলছে না বোতলজাত সয়াবিন তেল। ফলে
বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের জন্য হাহাকার চলছে। পাইকারি বাজার থেকে ভোজ্যতেল
হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। বিশেষ করে এক ও দুই লিটারের বোতলের সরবরাহ নেই বললেই চলে।
ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা। বাজারে শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণে এ পরিস্থিতি
সৃষ্টি হচ্ছে।
চট্টগ্রামে ভোজ্যতেল নিয়ে বড় সংকটের আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। লিটারপ্রতি দাম ৮ টাকা
বাড়ানো হলেও বাজারে আরও অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। ৪ মার্চ চট্টগ্রাম সার্কিট
হাউজে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে সেই দাম লিটারে ৩ টাকা বাড়িয়ে খুচরা পর্যায়ে
খোলা তেলের দাম লিটারে ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১০ এপ্রিল পর্যন্ত আমদানিকারকরা ১৫৩ টাকা দরে প্রতি
লিটার খোলা সয়াবিন তেল পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করবেন। পাইকারি
পর্যায়ে তা ১৫৫ এবং খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা বিক্রি করতে হবে।
তবে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি লিটার সয়াবিন ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা
পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা থেকে

২০০ টাকা, ২ লিটার ৩৯০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা, ৫ লিটার বোতল ৯৫০ থেকে এক হাজার
টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার প্রতি ১৯০ টাকার
বেশি দামে। অথচ সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত
সয়াবিন তেল ১৭৫ টাকা, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৬০ টাকায় বিক্রি করার
কথা।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গত বছরের নভেম্বরে ১ লাখ ১২ হাজার ৫৯৩
টন, ডিসেম্বরে ২ লাখ ২২ হাজার ৮৫৩ টন এবং চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি
মিলিয়ে ৩ লাখ ৪২ হাজার ৫২৭ টন অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে। সারা বছর
দেশে প্রায় ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকলেও শুধু রমজান মাসেই চাহিদা থাকে
প্রায় তিন লাখ টন। এত বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি হলেও বাজারে তেল নেই। খুচরা
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে বা খুচরা দোকানে অভিযান চালিয়ে ভোজ্যতেলের সংকটের
সমাধান হবে না। দেশে মাত্র গুটিকয়েক মিলার সয়াবিন তেল বোতলজাত করেন। তাদের
কারখানায় দিনে কী পরিমাণ তেল বোতলজাত হয় এবং প্রতিদিন প্রত্যেক কোম্পানি
তাদের ডিলার ডিস্ট্রিবিউটরদের কী পরিমাণ বোতলজাত সয়াবিন তেল সরবরাহ দিচ্ছে তার
তথ্য বের করলেই প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে
বহদ্দার হাটের শাহ আমানত ট্রেডিংয়ের মালিক শরফুদ্দিন জানান, বাজারে ভোজ্যতেল নেই
বললেই চলে। ডিলাররা চাহিদার ২৫ শতাংশ তেলও দিচ্ছে না। তেল চাইলে ডিলাররা জানান,
তাদের কাছে তেল সরবরাহ নেই। তারা (ডিলাররা) কয়েকদিন আগে কিছু তেল দিয়েছে।
তবে দুই লিটার, এক লিটার তেলের সঙ্গে বাধ্যতামূলক দুই কার্টন সরিষার তেল, চা পাতা ও
আটা দিয়েছে। কিন্তু সেই সরিষার তেল, চা পাতা বিক্রি হচ্ছে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসকের হুঁশিয়ারিতে ও সংকট কাটেনি ভোজ্যতেলের

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

জেলা প্রশাসকের হুঁশিয়ারি, দফায় দফায় আমদানিকারক ও আড়তদারদের সঙ্গে বৈঠকের পরও
ভোজ্যতেলের সংকট কাটেনি। বরং সংকট দিন দিন আরও বাড়ছে। অন্যদিকে প্রশাসনের
বেঁধে দেওয়া দামে কোথাও মিলছে না ভোজ্যতেল। নির্বারিত দামের চেয়ে লিটারপ্রতি
২৫-৩০ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পণ্যটি। বাজারে দফায় দফায় অভিযান পরিচালনা করে
সংকটের সমাধান করতে পারছে না প্রশাসন। অথচ রমজানকে সামনে রেখে চাহিদার
অতিরিক্ত ভোজ্যতেল আমদানি করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ভোজ্যতেলের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। সয়াবিন তেল নেই
বললেই চলে। এদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভোজ্যতেল ডিলাররা সরবরাহ করছে। নিয়মিত
ক্রেতাদের ভোজ্যতেল দিতে অতিরিক্ত দামে কিনে তা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। জেলা
প্রশাসন শুধু হুমকি-ধমকি দেয়। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। শুধু খুচরা পর্যায়ে
দোকানগুলোতে লোক দেখানো মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে। সঙ্গে মিডিয়া নিয়ে
এসে প্রচার করা হচ্ছে। প্রশাসন কিন্তু ডিলার এবং মিলারদের গুদামে যাচ্ছে না। ওখানে
মিডিয়া নিয়ে প্রশাসন অভিযান চালালে আসল চিত্র দেখা যাবে, সংকট খুচরা পর্যায়ে
নাকি ডিলার-মিল পর্যায়ে।
৪ মার্চ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন,
‘আমি দেখতে চাই, রাষ্ট্রের শক্তি বেশি না ব্যবসায়ীদের শক্তি। তেলের সাপ্লাই যদি পর্যাপ্ত
না হয়, তবে গুদাম পর্যায়ে অভিযান চালানো হবে। কীভাবে ভোক্তা তেল পাবে, সেই ব্যবস্থা
করুন। না হয় রাষ্ট্র ব্যবস্থা নেবে। আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমি এবার শুধু
জরিমানা করব না, কারাদণ্ডও দেব। বড় গ্রুপগুলোর কোনো কর্মকর্তাকে অনিয়মে
সম্পৃক্ততা পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।
আমাদের সঙ্গে ছাত্র সমন্বয়করাও থাকবেন। দেখি কার শক্তি বেশি। এ হুঁশিয়ারির এক
সপ্তাহের বেশি সময় পরও বাজারে স্বাভাবিক হয়নি বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ।
কোথাও বেশি দামে দু-এক বোতল মিললেও অধিকাংশ জায়গায় মিলছে না। বোতলের গায়ে
লেখা সর্বোচ্চ দামে সয়াবিন তেল কিনতে খুচরা বিক্রেতাদের বাধ্য করছেন ডিলাররা।
একই কোম্পানির অপ্রচলিত অন্য পণ্য কিনতেও বাধ্য করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চাহিদার ২৫ শতাংশ ভোজ্যতেলও মিলছে না। একাধিক সিন্ডিকেট
ভোজ্যতেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ
রয়েছে। খুচরা থেকে পাইকারি বাজার-কোথাও মিলছে না বোতলজাত সয়াবিন তেল। ফলে
বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের জন্য হাহাকার চলছে। পাইকারি বাজার থেকে ভোজ্যতেল
হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। বিশেষ করে এক ও দুই লিটারের বোতলের সরবরাহ নেই বললেই চলে।
ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা। বাজারে শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণে এ পরিস্থিতি
সৃষ্টি হচ্ছে।
চট্টগ্রামে ভোজ্যতেল নিয়ে বড় সংকটের আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। লিটারপ্রতি দাম ৮ টাকা
বাড়ানো হলেও বাজারে আরও অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। ৪ মার্চ চট্টগ্রাম সার্কিট
হাউজে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে সেই দাম লিটারে ৩ টাকা বাড়িয়ে খুচরা পর্যায়ে
খোলা তেলের দাম লিটারে ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১০ এপ্রিল পর্যন্ত আমদানিকারকরা ১৫৩ টাকা দরে প্রতি
লিটার খোলা সয়াবিন তেল পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করবেন। পাইকারি
পর্যায়ে তা ১৫৫ এবং খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা বিক্রি করতে হবে।
তবে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি লিটার সয়াবিন ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা
পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা থেকে

২০০ টাকা, ২ লিটার ৩৯০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা, ৫ লিটার বোতল ৯৫০ থেকে এক হাজার
টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার প্রতি ১৯০ টাকার
বেশি দামে। অথচ সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত
সয়াবিন তেল ১৭৫ টাকা, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৬০ টাকায় বিক্রি করার
কথা।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গত বছরের নভেম্বরে ১ লাখ ১২ হাজার ৫৯৩
টন, ডিসেম্বরে ২ লাখ ২২ হাজার ৮৫৩ টন এবং চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি
মিলিয়ে ৩ লাখ ৪২ হাজার ৫২৭ টন অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে। সারা বছর
দেশে প্রায় ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকলেও শুধু রমজান মাসেই চাহিদা থাকে
প্রায় তিন লাখ টন। এত বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি হলেও বাজারে তেল নেই। খুচরা
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে বা খুচরা দোকানে অভিযান চালিয়ে ভোজ্যতেলের সংকটের
সমাধান হবে না। দেশে মাত্র গুটিকয়েক মিলার সয়াবিন তেল বোতলজাত করেন। তাদের
কারখানায় দিনে কী পরিমাণ তেল বোতলজাত হয় এবং প্রতিদিন প্রত্যেক কোম্পানি
তাদের ডিলার ডিস্ট্রিবিউটরদের কী পরিমাণ বোতলজাত সয়াবিন তেল সরবরাহ দিচ্ছে তার
তথ্য বের করলেই প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে
বহদ্দার হাটের শাহ আমানত ট্রেডিংয়ের মালিক শরফুদ্দিন জানান, বাজারে ভোজ্যতেল নেই
বললেই চলে। ডিলাররা চাহিদার ২৫ শতাংশ তেলও দিচ্ছে না। তেল চাইলে ডিলাররা জানান,
তাদের কাছে তেল সরবরাহ নেই। তারা (ডিলাররা) কয়েকদিন আগে কিছু তেল দিয়েছে।
তবে দুই লিটার, এক লিটার তেলের সঙ্গে বাধ্যতামূলক দুই কার্টন সরিষার তেল, চা পাতা ও
আটা দিয়েছে। কিন্তু সেই সরিষার তেল, চা পাতা বিক্রি হচ্ছে না।