বাংলাদেশে অভিন্ন নদী ও তিস্তা আমার অধিকার-সমস্যা ও প্রতিকার বিষয়ে জামালপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে কানাডা প্রবাসী ও নদী-জলবায়ু বিষয়ক গবেষক ইঞ্জিনিয়ার এম. হাফিজুর রহমান লিটন।
বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাকক্ষে দৈনিক চৌকস পত্রিকার ব্যুরো চিফ সাংবাদিক মো. খায়রুল আলমের ব্যবস্থাপনায় এবং জেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান জিলানীর সঞ্চালনায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনের শুরুতে ইঞ্জিনিয়ার এম. হাফিজুর রহমান লিটন তিস্তা নদীর পানি হিস্যা নিয়ে একটি ধারনা উপস্থাপন করেন। এসময় তিনি বলেন, আমরা তিস্তা নদীর পানি বন্টন নিয়ে ভারতের সাথে চুক্তির বিষয়ে আমরা অনেক দূর অগ্রসর হয়েছিলাম। এচুক্তির আলোচনায় বাংলাদেশ পাবে ৩৭.৫ এবং ভারত পাবে ৪২.৫ পার্সেন্ট পানি। কিন্তু ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এই চুক্তিতে রাজি থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজি না থাকাতে এই চুক্তি আশার আলো দেখেনি। আজকে যদি আমরা তিস্তায় পানি পাই তাহলে বাংলাদশে যতগুলি নদ-নদী আছে সবগুলিই পানি পাবে। কারন তিস্তা হচ্ছে আমাদের দেশের অভিন্ন নদীগুলির মূখ বলা হয়ে থাকে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের অভিন্ন নদীগুলি নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করছেন এবং বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তিস্তা চুক্তি যাতে বাস্তবায়ন হয় সেই বিষয়ে কাজ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফজলে এলাহি মাকাম, জেলা অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সবুজ বাংলার স্টাফ রিপোর্টার সুমন মাহমুদ, বাংলাদেশ রিপোর্টাস ক্লাব জেলা শাখার সভাপতি মুক্তাদিরু সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আাসাদুজ্জামান রুমেল, এনটিভির সাংবাদিক আসমাউল হুসনা আসিফসহ জেলার প্রিন্ট, অনলাইন ও বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের সংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে ইঞ্জিনিয়ার লিটন সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, তিস্তা নদী নিয়ে একটি বড় রাজনীতি রয়েছে এ অঞ্চলে। আমরা মনে করি বিগত শেখ হাসিনা সরকার কূটনীতিকভাবে এর সমাধান করতে পারতেন। কিন্তু তারা ভারতের প্রতি নতজানু নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন বলে এই চুক্তি করা সম্ভব হয়নি। ফলে এ অঞ্চলের মানুষ চাষাবাদ এবং ফসল উৎপাদনে হুমকির মুখে পড়েছে।





















