০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পীরগাছায় আলুর বাম্পার ফলন, তবু দামে হতাশ কৃষক

রংপুরের পীরগাছায় আলুর বাম্পার ফলন, তবু দামে হতাশ কৃষক।উৎপাদিত আলুর ন্যায্য মূল্য ও সংরক্ষণ নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছরে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে উৎপাদিত আলুর ন্যায্য মূল্য ও সংরক্ষণ নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা। ফলন ভালো হলেও বাজারদর দ্রুত কমে যাওয়ায় কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। গত বছরের তুলনায় এবার একই সময়ের মধ্যে আলুর বাজারমূল্য অর্ধেকে নেমে এসেছে, যা কৃষকদের লোকসানের মুখে ফেলেছে।

এদিকে বিভিন্ন স্থানীয় কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণ শুরু হলেও সংরক্ষণ খরচ বাড়ায় কৃষকদের জন্য তা বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, বীজ আলু প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে কিনতে হয়েছে, ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ। বর্তমানে প্রতি কেজি আলুর বাজারদর মাত্র ১৩-১৫ টাকা, ফলে প্রতি বিঘায় ২০-২৫ হাজার টাকা লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে।

অনেক কৃষক জরুরি প্রয়োজন মেটাতে মাঠ থেকেই প্রতি কেজি ১৩ টাকা দরে আলু বিক্রি করছেন, আবার কেউ কেউ বাড়িতে সংরক্ষণ করছেন।
তবে বাজারদর কম থাকায় উৎপাদন খরচ উঠিয়ে আনাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
পীরগাছা উপজেলার আলু চাষি আব্দুল কুদ্দুছ সরকার বলেন, “আলুর ফলন ভালো হলেও লোকসান ছাড়া আর কিছুই নেই। সব কিছুর দাম বাড়লেও আলুর দাম কমেছে।তার উপর হিমাগারের ভাড়া আরও বেড়েছে। এভাবে চললে আবাদ ছেড়ে দিতে হবে।
আরেক চাষি রকি মিয়া বলেন, “আলুর বাজার এত খারাপ যে, খরচই উঠছে না, বরং ক্ষতির পরিমাণ বেশি। আমরা কৃষকরাই বারবার ক্ষতির মুখে পড়ি, কিন্তু আমাদের দিকেই কেউ নজর দেয় না।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম জানান,আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে।তবে গত বছরের তুলনায় এবছর উৎপাদন খরচ বেশি।এই উপজেলায় ১৩২০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। আলুর ফলন ভালো হওয়ায় ৩৮০০০০মে.টন আলু উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারের বিপিএলে কে কোন পুরস্কার জিতলেন

পীরগাছায় আলুর বাম্পার ফলন, তবু দামে হতাশ কৃষক

আপডেট সময় : ০২:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

রংপুরের পীরগাছায় আলুর বাম্পার ফলন, তবু দামে হতাশ কৃষক।উৎপাদিত আলুর ন্যায্য মূল্য ও সংরক্ষণ নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছরে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে উৎপাদিত আলুর ন্যায্য মূল্য ও সংরক্ষণ নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা। ফলন ভালো হলেও বাজারদর দ্রুত কমে যাওয়ায় কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। গত বছরের তুলনায় এবার একই সময়ের মধ্যে আলুর বাজারমূল্য অর্ধেকে নেমে এসেছে, যা কৃষকদের লোকসানের মুখে ফেলেছে।

এদিকে বিভিন্ন স্থানীয় কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণ শুরু হলেও সংরক্ষণ খরচ বাড়ায় কৃষকদের জন্য তা বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, বীজ আলু প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে কিনতে হয়েছে, ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ। বর্তমানে প্রতি কেজি আলুর বাজারদর মাত্র ১৩-১৫ টাকা, ফলে প্রতি বিঘায় ২০-২৫ হাজার টাকা লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে।

অনেক কৃষক জরুরি প্রয়োজন মেটাতে মাঠ থেকেই প্রতি কেজি ১৩ টাকা দরে আলু বিক্রি করছেন, আবার কেউ কেউ বাড়িতে সংরক্ষণ করছেন।
তবে বাজারদর কম থাকায় উৎপাদন খরচ উঠিয়ে আনাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
পীরগাছা উপজেলার আলু চাষি আব্দুল কুদ্দুছ সরকার বলেন, “আলুর ফলন ভালো হলেও লোকসান ছাড়া আর কিছুই নেই। সব কিছুর দাম বাড়লেও আলুর দাম কমেছে।তার উপর হিমাগারের ভাড়া আরও বেড়েছে। এভাবে চললে আবাদ ছেড়ে দিতে হবে।
আরেক চাষি রকি মিয়া বলেন, “আলুর বাজার এত খারাপ যে, খরচই উঠছে না, বরং ক্ষতির পরিমাণ বেশি। আমরা কৃষকরাই বারবার ক্ষতির মুখে পড়ি, কিন্তু আমাদের দিকেই কেউ নজর দেয় না।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম জানান,আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে।তবে গত বছরের তুলনায় এবছর উৎপাদন খরচ বেশি।এই উপজেলায় ১৩২০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। আলুর ফলন ভালো হওয়ায় ৩৮০০০০মে.টন আলু উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।