০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নান্দাইলে বিএনপিতে সংঘর্ষ-বিদ্রোহ,কমিটি নিয়ে উত্তেজনা

ময়মনসিংহের নান্দাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর উপজেলা ও পৌর শাখার নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করছেন, নতুন কমিটিতে দলের দুঃসময়ে নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে সুবিধাভোগীদের স্থান দেওয়া হয়েছে। কমিটি বাতিলের দাবিতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) গভীর রাতে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম এনায়েত উল্লাহ কালাম ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নান্দাইল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাদের দাবি, নবগঠিত কমিটিতে টাকার বিনিময়ে পদ বণ্টন করা হয়েছে এবং ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

পদবঞ্চিত সাবেক মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম মানিক বলেন,গত ১৭ বছরে কোনো অত্যাচার নির্যাতনের শিকার বা কোনো মামলা নেই এবং কমিটিতে অযোগ্য, অদক্ষ ও আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট লোকদের স্থান দেওয়া হয়েছে।যতক্ষণ পর্যন্ত এই কমিটি বাতিল না হবে,ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন সংগ্রাম চলবে।

অন্যদিকে,উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন- বিএনপি বৃহৎ একটি রাজনৈতিক দল। দীর্ঘ ১১ বছর পরে যোগ্যতার ভিত্তিতে নান্দাইল উপজেলা বিএনপি’র কমিটি হয়েছে। এ দলের মধ্যে কোন কোন্দল নেই প্রতিযোগিতা রয়েছে। নামধারী একটি মহল বিএনপির পরিচয়ে নান্দাইলে অরাজকতা তৈরি করে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর বার বার হামলা করে অনেক নেতাকর্মীকে আহত করেছে। যারা দল এবং দেশ নায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিবে এটাই স্বাভাবিক।

সংঘর্ষ, হামলা ও মামলা

কমিটি গঠনের পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে, যা একাধিক সংঘর্ষের রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রায় সময়ই সংঘর্ষ হচ্ছে উল্লেখযোগ্য ১ মার্চ।উপজেলা বিএনপির নতুন আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরীর সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে সেদিন দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, ককটেল বিস্ফোরণ,লুটপাট ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় গত ১৪ মার্চ পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

১৯ মার্চ ভয়াবহ সংঘর্ষ

নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজ মাঠে দু গ্রুপের পাল্টাপাল্টি ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে ককটেল, পেট্রল বোমা, রামদা, হকিস্টিক, রড ও বল্লম ব্যবহার করা হয়। সংঘর্ষে দুইজন গুলিবিদ্ধ হন।পরে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুজ্জামান ভূঁইয়া নওফেল বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

দলের শীর্ষ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ ও বহিষ্কার

সংঘাত নিরসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ২০ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে নান্দাইল পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এ এফ এম আজিজুল ইসলাম পিকুলকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেন।

একই সঙ্গে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি শামছুল হক (ভিপি শামছু) ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল করিম বিপ্লব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আকরাম হোসেন ফেরদৌস, জহিরুল হক ও মোবারক হোসেন উজ্জ্বলকেও বহিষ্কার করা হয়।

ময়মনসিংহ উত্তর জেলার সম্মানিত সদস্য ও সাবেক মেয়র আজিজুল ইসলাম পিকুল বলেন,কমিটি ঘোষণা হওয়ার পর থেকে পদ বঞ্চিতরা কমিটি বাতিল এর জন্য আন্দোলন করছে।দল থেকে আমাকে কেন অব্যাহতি দিয়েছে আমার জানা নেই।তবে, বিগত দিনে স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা রোষানলে পরে অসংখ্য মামলা-হামলার শিকার হয়েছি,পিছপা হয়নি,দলের প্রয়োজনে অথবা ভালোর জন্য কাজ করে যাবো আজীবন।

বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মোবারক হোসেন উজ্জ্বল বলেন,১ মার্চ,১৯ মার্চের ঘটনা পরিকল্পিতভাবে সদ্য উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী বহিরাগত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে সংঘর্ষ করিছে এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। আমাদের আন্দোলনকে দমানোর জন্য। কমিটি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

অন্যদিকে, নবগঠিত কমিটির সমর্থকদের দাবি,১৯ মার্চ প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করছিলেন,কিছু বিএনপি নামধারী সন্ত্রাসী হামলা করে তাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গুরুত্ব যখম করে ও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়।এবিষয়ে দলীয় ভাবে একজনকে অব্যহতি ও কয়েকজনকে বহিষ্কার করছে।

নান্দাইলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা

স্থানীয় দলটির সিনিয়র নেতারা মনে করছেন,যদি বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল দ্রুত নিরসন করা না হয়, তাহলে নান্দাইল আসনে বিএনপির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

এদিকে, রফিকুল ইসলাম নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,বিএনপির দু’গ্রুফের মধ্যে যেভাবে সংঘর্ষ হচ্ছে এতে সাধারণ জনগণের মাঝেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।তিনি আশঙ্কা করছেন,এই কোন্দল আরও বড় সংঘর্ষের দিকে গড়াতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোট পর্যবেক্ষণে দেশি-বিদেশি সাড়ে ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষক

নান্দাইলে বিএনপিতে সংঘর্ষ-বিদ্রোহ,কমিটি নিয়ে উত্তেজনা

আপডেট সময় : ১২:৫১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

ময়মনসিংহের নান্দাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর উপজেলা ও পৌর শাখার নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করছেন, নতুন কমিটিতে দলের দুঃসময়ে নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে সুবিধাভোগীদের স্থান দেওয়া হয়েছে। কমিটি বাতিলের দাবিতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) গভীর রাতে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম এনায়েত উল্লাহ কালাম ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নান্দাইল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাদের দাবি, নবগঠিত কমিটিতে টাকার বিনিময়ে পদ বণ্টন করা হয়েছে এবং ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

পদবঞ্চিত সাবেক মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম মানিক বলেন,গত ১৭ বছরে কোনো অত্যাচার নির্যাতনের শিকার বা কোনো মামলা নেই এবং কমিটিতে অযোগ্য, অদক্ষ ও আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট লোকদের স্থান দেওয়া হয়েছে।যতক্ষণ পর্যন্ত এই কমিটি বাতিল না হবে,ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন সংগ্রাম চলবে।

অন্যদিকে,উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন- বিএনপি বৃহৎ একটি রাজনৈতিক দল। দীর্ঘ ১১ বছর পরে যোগ্যতার ভিত্তিতে নান্দাইল উপজেলা বিএনপি’র কমিটি হয়েছে। এ দলের মধ্যে কোন কোন্দল নেই প্রতিযোগিতা রয়েছে। নামধারী একটি মহল বিএনপির পরিচয়ে নান্দাইলে অরাজকতা তৈরি করে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর বার বার হামলা করে অনেক নেতাকর্মীকে আহত করেছে। যারা দল এবং দেশ নায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিবে এটাই স্বাভাবিক।

সংঘর্ষ, হামলা ও মামলা

কমিটি গঠনের পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে, যা একাধিক সংঘর্ষের রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রায় সময়ই সংঘর্ষ হচ্ছে উল্লেখযোগ্য ১ মার্চ।উপজেলা বিএনপির নতুন আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরীর সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে সেদিন দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, ককটেল বিস্ফোরণ,লুটপাট ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় গত ১৪ মার্চ পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

১৯ মার্চ ভয়াবহ সংঘর্ষ

নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজ মাঠে দু গ্রুপের পাল্টাপাল্টি ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে ককটেল, পেট্রল বোমা, রামদা, হকিস্টিক, রড ও বল্লম ব্যবহার করা হয়। সংঘর্ষে দুইজন গুলিবিদ্ধ হন।পরে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুজ্জামান ভূঁইয়া নওফেল বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

দলের শীর্ষ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ ও বহিষ্কার

সংঘাত নিরসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ২০ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে নান্দাইল পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এ এফ এম আজিজুল ইসলাম পিকুলকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেন।

একই সঙ্গে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি শামছুল হক (ভিপি শামছু) ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল করিম বিপ্লব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আকরাম হোসেন ফেরদৌস, জহিরুল হক ও মোবারক হোসেন উজ্জ্বলকেও বহিষ্কার করা হয়।

ময়মনসিংহ উত্তর জেলার সম্মানিত সদস্য ও সাবেক মেয়র আজিজুল ইসলাম পিকুল বলেন,কমিটি ঘোষণা হওয়ার পর থেকে পদ বঞ্চিতরা কমিটি বাতিল এর জন্য আন্দোলন করছে।দল থেকে আমাকে কেন অব্যাহতি দিয়েছে আমার জানা নেই।তবে, বিগত দিনে স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা রোষানলে পরে অসংখ্য মামলা-হামলার শিকার হয়েছি,পিছপা হয়নি,দলের প্রয়োজনে অথবা ভালোর জন্য কাজ করে যাবো আজীবন।

বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মোবারক হোসেন উজ্জ্বল বলেন,১ মার্চ,১৯ মার্চের ঘটনা পরিকল্পিতভাবে সদ্য উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী বহিরাগত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে সংঘর্ষ করিছে এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। আমাদের আন্দোলনকে দমানোর জন্য। কমিটি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

অন্যদিকে, নবগঠিত কমিটির সমর্থকদের দাবি,১৯ মার্চ প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করছিলেন,কিছু বিএনপি নামধারী সন্ত্রাসী হামলা করে তাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গুরুত্ব যখম করে ও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়।এবিষয়ে দলীয় ভাবে একজনকে অব্যহতি ও কয়েকজনকে বহিষ্কার করছে।

নান্দাইলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা

স্থানীয় দলটির সিনিয়র নেতারা মনে করছেন,যদি বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল দ্রুত নিরসন করা না হয়, তাহলে নান্দাইল আসনে বিএনপির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

এদিকে, রফিকুল ইসলাম নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,বিএনপির দু’গ্রুফের মধ্যে যেভাবে সংঘর্ষ হচ্ছে এতে সাধারণ জনগণের মাঝেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।তিনি আশঙ্কা করছেন,এই কোন্দল আরও বড় সংঘর্ষের দিকে গড়াতে পারে।