১০:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেসবুকে হা হা রিয়েক্ট দিয়ে প্রাণ হারালেন কলেজ ছাত্র

বন্ধুর ফেসবুক পোস্টে হা হা রিয়েক্ট দেওয়ায় জেরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ছুড়িকাঘাতে নাইম বাদশা নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু করা হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাইম বাদশা ওই গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলামের ছেলে এবং সরকারী নাজমুল স্মৃতি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সবুজ আহমেদকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া গ্রামের হুরমুজ আলী ভুট্টুর ছেলে সবুজ আহমেদ গাজীপুর এলাকায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করে। নিহত নাইম বাদশা পার্শবর্তী নয়াবিল গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। উভয়ে বাল্যবন্ধু। সম্প্রতি নাইম বাদশা সবুজ আহমেদের একটি ফেসবুক পোস্টে হা হা রিয়েক্ট দেয়। এ নিয়ে সবুজ ক্ষোভে নাইমকে হুমকিও দেয়। শনিবার সকালে সবুজ নাইমকে মোবাইল ফোনে ডেকে বাড়ির অদূরে কৃষি ব্যাংক নয়াবিল শাখার পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার পর নাইমের সাথে সবুজের বাক-বিতণ্ডা বাধে। একপর্যায়ে সবুজ নাইমকে পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করে। এসময় সঙ্গে থাকা অন্য বন্ধুরা চিৎকার শুরু করে। পরে নাইমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্বজনেরা। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে নাইম মারা যায়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক নাইমকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী সবুজকে ধরে ফেলে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি সোহেল রানা বলেন, অভিযুক্তকে আটক করা রয়েছে। এখন আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারের বিপিএলে কে কোন পুরস্কার জিতলেন

ফেসবুকে হা হা রিয়েক্ট দিয়ে প্রাণ হারালেন কলেজ ছাত্র

আপডেট সময় : ০৫:০৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫

বন্ধুর ফেসবুক পোস্টে হা হা রিয়েক্ট দেওয়ায় জেরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ছুড়িকাঘাতে নাইম বাদশা নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু করা হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাইম বাদশা ওই গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলামের ছেলে এবং সরকারী নাজমুল স্মৃতি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সবুজ আহমেদকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া গ্রামের হুরমুজ আলী ভুট্টুর ছেলে সবুজ আহমেদ গাজীপুর এলাকায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করে। নিহত নাইম বাদশা পার্শবর্তী নয়াবিল গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। উভয়ে বাল্যবন্ধু। সম্প্রতি নাইম বাদশা সবুজ আহমেদের একটি ফেসবুক পোস্টে হা হা রিয়েক্ট দেয়। এ নিয়ে সবুজ ক্ষোভে নাইমকে হুমকিও দেয়। শনিবার সকালে সবুজ নাইমকে মোবাইল ফোনে ডেকে বাড়ির অদূরে কৃষি ব্যাংক নয়াবিল শাখার পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার পর নাইমের সাথে সবুজের বাক-বিতণ্ডা বাধে। একপর্যায়ে সবুজ নাইমকে পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করে। এসময় সঙ্গে থাকা অন্য বন্ধুরা চিৎকার শুরু করে। পরে নাইমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্বজনেরা। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে নাইম মারা যায়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক নাইমকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী সবুজকে ধরে ফেলে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি সোহেল রানা বলেন, অভিযুক্তকে আটক করা রয়েছে। এখন আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।