পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে শেষ মুহূর্তে নগরবাসী ঢাকা ছাড়তে শুরু করলেও বাস, লঞ্চ ও ট্রেনে নেই তেমন কোনো যাত্রী চাপ। স্বস্তিতে ফিরছে ঈদে ঘরমুখোরা। পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে শেষ মুহূর্তে নগরবাসী ঢাকা ছাড়তে শুরু করলেও বাস, লঞ্চ ও ট্রেনে নেই তেমন কোনো যাত্রী চাপ, স্বস্তিতে ফিরছে ঘরমুখোরা। রোববার (৩০ মার্চ) কাউন্টারগুলোতে তেমন চাপ নেই বলে জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। বেশিরভাগ কাউন্টারে খালি বাস নিয়ে যাত্রীদের অপেক্ষায় তারা। অন্যদিকে কোনো ভোগান্তি ছাড়া টিকিট পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ট্রেন ও লঞ্চের যাত্রীরাও। গাবতলী বাস টার্মিনালে মোটামুটি যাত্রীর চাপ থাকলেও অন্যান্য বছরের মতো উপচেপড়ার মতো ভিড় নেই। কাউন্টারে টিকিট বিক্রির দ্বায়িত্বপ্রাপ্তরা হেঁটে হেঁটে যাত্রী খুঁজছেন। তারা জানান, পরিবারকে বাড়তি সময় দিতে অনেকেই আগেভাগে শেকড়ের টানে বাড়ি চলে গেছে। এদিকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কড়া নজরদারি রয়েছে।
রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালজুড়েই ছিল ঘরমুখী মানুষের ভিড়। দক্ষিণাঞ্চলের দিকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চগুলো ছিল যাত্রীতে পূর্ণ। প্রতিটি লঞ্চের কেবিনও ছিল পূর্ণ। লঞ্চগুলোর ডেক এমনকি ছাদেও ছিল যাত্রীতে ভরপুর। যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়ে কোলাহলপূর্ণ হয়ে উঠেছে পুরো টার্মিনাল এলাকা। তবে, বেলা বাড়ার সাথে সাথে কমতে থাকে যাত্রী চাপ। টার্মিনালে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৫১টি লঞ্চ এসেছে, আর ৩১টি লঞ্চ দক্ষিণ অঞ্চলের জেলার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। তবে কেউ কেউ সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।
অন্যান্য দিনের মত শেষ দিনে এসেও নির্ভেজাল রয়েছে ট্রেনের সিডিউল। তাই তো শেকড়ের টানে ছুটে চলা প্রতিটি মানুষের চোখে মুখে ঈদের আনন্দ। যদিও শেষ দিনে এসে বাড়তি ভিড় পৌঁছেছে ট্রেনের ছাদ অবধি। এদিন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম। কথা বলেন যাত্রীদের সঙ্গে। জানতে চান কোনো অভিযোগ আছে কিনা। এ সময় গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতির কারণেই স্বস্তিতে এবারের ঈদযাত্রা। এছাড়াও ঈদের জামাত ঘিরে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা না থাকার কথাও জানান তিনি।
গত বছরগুলোর তুলনায় এবারের ঈদে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন নগরবাসী। ছুটি শেষে একইভাবে ফিরতে পারবেন কর্মব্যস্ত নগরীতে এমন আশাও সবার।
























