০৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে ফিরে রেললাইনে মাথা দিয়ে কাতার প্রবাসীর আত্মহত্যা

বাংলাদেশে ফিরেই রেললাইনে মাথা দিয়ে মো.আবুল বাশার ওরফে দুলাল (৫৫) নামে এক কাতার প্রবাসী আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ঠিক কি কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি।

নিহত দুলাল জেলার সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সাওপুর গ্রামের হাজী নুকুল বেপারী বাড়ির আব্দুল মালেকের ছেলে।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বিভিন্ন মেয়াদে দুলাল গত ২৪ বছর ধরে কাতার থাকেন। গত ৪ মাস আগে তিনি দেশ থেকে কাতার যান। সোমবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে তিনি বাংলাদেশে ফিরেন। এরপর একুশে পরিবহনের একটি বাসে করে নোয়াখালীর চৌমুহনী চৌরাস্তায় আসেন। পরবর্তীতে একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রেললাইনে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়েন। ওই সময় কুমিল্লার লাকসাম থেকে নোয়াখালী গ্রামী সমতট এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান তিনি।
যোগাযোগ করা হলে চৌমুহনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ প্রদীপ কুমার মজুমদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে মরদেহ বেগমগঞ্জ চৌমুহনী রেলওয়ে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাৎক্ষণিক নিহতের পরিবার আত্মহত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেনি। তবে বিষয়টি আত্মহত্যা বলে মনে হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুশিক্ষা ছাড়া সুনাগরিক গড়ে ওঠে না : ড. আবদুল  মঈন খান

দেশে ফিরে রেললাইনে মাথা দিয়ে কাতার প্রবাসীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০১:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশে ফিরেই রেললাইনে মাথা দিয়ে মো.আবুল বাশার ওরফে দুলাল (৫৫) নামে এক কাতার প্রবাসী আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ঠিক কি কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি।

নিহত দুলাল জেলার সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সাওপুর গ্রামের হাজী নুকুল বেপারী বাড়ির আব্দুল মালেকের ছেলে।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বিভিন্ন মেয়াদে দুলাল গত ২৪ বছর ধরে কাতার থাকেন। গত ৪ মাস আগে তিনি দেশ থেকে কাতার যান। সোমবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে তিনি বাংলাদেশে ফিরেন। এরপর একুশে পরিবহনের একটি বাসে করে নোয়াখালীর চৌমুহনী চৌরাস্তায় আসেন। পরবর্তীতে একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রেললাইনে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়েন। ওই সময় কুমিল্লার লাকসাম থেকে নোয়াখালী গ্রামী সমতট এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান তিনি।
যোগাযোগ করা হলে চৌমুহনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ প্রদীপ কুমার মজুমদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে মরদেহ বেগমগঞ্জ চৌমুহনী রেলওয়ে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাৎক্ষণিক নিহতের পরিবার আত্মহত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেনি। তবে বিষয়টি আত্মহত্যা বলে মনে হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হবে।