১০:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবু সাঈদ হত্যা: ২৬ জনের ‘সম্পৃক্ততা’ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা, কারাগারে ৪ আসামি

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৬ জনের ‘সম্পৃক্ততা’ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।

এছাড়া এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সময়ের প্রক্টর, পুলিশের দুই সদস্য এবং ছাত্রলীগের এক নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের নের্তৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো চারজন হলেন- রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সময়ের প্রক্টর শরিফুল ইসলাম। যারা সাঈদকে সরাসরি গুলি করেছিল তাদের মধ্যে পুলিশের দুই সদস্য এসআই আমির হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের ওই সময়ের সাধারণ সম্পাদক ইমরান চৌধুরী আকাশ।

সকাল ১০টায় এই চারজনকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। বেলা পৌনে ১২টায় তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের উপর শুনানি হয়। প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. মিজানুল ইসলাম শুনানি করেন।

শুনানিতে মিজানুল ইসলাম বলেন, “আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেল কাস্টডিতে পাঠানোর আবেদন করছি।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোট পর্যবেক্ষণে দেশি-বিদেশি সাড়ে ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষক

আবু সাঈদ হত্যা: ২৬ জনের ‘সম্পৃক্ততা’ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা, কারাগারে ৪ আসামি

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৬ জনের ‘সম্পৃক্ততা’ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।

এছাড়া এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সময়ের প্রক্টর, পুলিশের দুই সদস্য এবং ছাত্রলীগের এক নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের নের্তৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো চারজন হলেন- রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সময়ের প্রক্টর শরিফুল ইসলাম। যারা সাঈদকে সরাসরি গুলি করেছিল তাদের মধ্যে পুলিশের দুই সদস্য এসআই আমির হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের ওই সময়ের সাধারণ সম্পাদক ইমরান চৌধুরী আকাশ।

সকাল ১০টায় এই চারজনকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। বেলা পৌনে ১২টায় তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের উপর শুনানি হয়। প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. মিজানুল ইসলাম শুনানি করেন।

শুনানিতে মিজানুল ইসলাম বলেন, “আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেল কাস্টডিতে পাঠানোর আবেদন করছি।”