চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নতি করার দাবিতে আমরা ১১জন নিহতের অবয়ব ধারণ করে আমরা ১১জন (নিহত) এর ব্যানারে পদযাত্রা ও গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করে ১১ জন। এ সময় ১১জন আন্দেলনকারি ১১ টি লাশের সাদা কাফন পরিহিত করে কর্মসূচী পালন করেন।
সুত্রমতে গত তিনমাসে এই সড়কে ৫৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ৪০ জন নিহত এবং ৭৩ জন আহত হয়েছেন। সর্বশেষ ঈদুল ফিতরের প্রথম তিনদিনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন এই মহাসড়কে। আহত হয়েছেন ৩০ জনেরও বেশি।
১০ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, বেলা সাড়ে বারোটায় কক্সবাজার বাস টার্মিনাল থেকে পদযাত্রা করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্য্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত পথ সভা শেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নতি করার দাবিতে আমরা কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারক লিপি প্রদান করেন।
উল্লেখ্য গত ৯ এপ্রিল, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া নামক স্থানেও এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আন্দোলনকারিরা বলেন, দুর্ঘটনার মৃ্ত্যুফাঁদ চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়ক কে অচিরই ৬ লেনে উন্নীত করার দাবি জানিয়ে বলেন সরকারকে এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা আর সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘতর হোক সেটা চাইনা।আমরা স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই।
পদযাত্রা কর্মসূচিতে সাদা কাফন পরে প্রধান সমন্বয়ক সৌরভ প্রিয় পাল এর নেতৃত্বে ইদ্রিস পানু, মোহাম্মদ হানিফ, সুকান্ত তালুকদার, জুয়েল, বিল্পব চৌধুরী বিল্লু, আবদুর রহমান রকি, জীবন মিত্র রাজ শফিকুল ইসলাম দিয়া, ইয়াসিন আফ্রিদি সাইদুল হাসান, শাহাদাত হোসেন রুবেল অংশগ্রহন করেন।
পদযাত্রাটি গতকাল সকালে চট্টগ্রাম থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি ব্যস্হতম সড়কে অবস্হান করে গনস্বাক্ষর সংগ্রহ করে।
প্রধান সমন্বয়ক সৌরভ প্রিয় পাল বলেন, কক্সবাজার চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নতি করণ করতে হবপ। মহা সড়ক দিয়ে লবণ পরিবহন করা যাবেনা। লবন পরিবহনের জন্য সাগর পথ ব্যাবহার করা হোক।
দোহাজারি হাইওয়ে পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত তিন মাসে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৫৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ৪০ জন নিহত এবং ৭৩ জন আহত হয়েছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অংশে ৩৭টি দুর্ঘটনায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।




















