১০:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যমুনায় ৩০ কোটি টাকার সার আত্মসাত, ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে  অবস্থিত দেশের বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানায় প্রায় ৩০ কোটি টাকার সার আত্মসাতের দায়ে কারখানার ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করেছে।

দুদকের পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন বর্তমানে কিশোরগঞ্জ দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে কর্মরত উপপরিচালক মো. ইকবাল হোসেন। তিনি গত ৮ এপ্রিল বাদী হয়ে জামালপুর জেলা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

১০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন জেলা দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মলয় কুমার সাহা।

মামলার আসামিরা হলেন, যমুনা সার কারখানার বরখাস্তকৃত বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক ওয়ায়েছুর রহমান, সহ-ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. মাঈন উদ্দিন, উপ-সহকারী কারিগরি কর্মকর্তা মো. হারুন-অর-রশিদ, উপ-সহকারী কারিগরি কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ, সহকারী বিক্রয় কর্মকর্তা বজলুর রশীদ খান ও অবসরপ্রাপ্ত মহা-ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) খোকন চন্দ্র দাস।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা যোগসাজশের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে যমুনা ফার্টিলাইজার কোং লিমিটেডের ১৮ হাজার ৯শ ১৬.৪৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আত্মসাৎ করেন। যার সরকারি মূল্য ২৯ কোটি ৯৫ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫২.২৪ টাকা।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মলয় কুমার সাহা জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের ২নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘দুদক দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার পর মামলাটি দায়ের করেছে। এখন আদালতের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (জেএফসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) আবু সালেহ মো. মোসলেহ উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, ‘মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে এখন পর্যন্ত অফিসিয়াল বা ননঅফিশিয়ালি কোনো তথ্য পায়নি। তবে আমি এখানে যোগদানের আগে কারখানার বাইরে (বাফার গোডাউনে) সার কেলেঙ্কারির একটি ঘটনা ঘটেছিল বলে শুনেছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোট পর্যবেক্ষণে দেশি-বিদেশি সাড়ে ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষক

যমুনায় ৩০ কোটি টাকার সার আত্মসাত, ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে  অবস্থিত দেশের বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানায় প্রায় ৩০ কোটি টাকার সার আত্মসাতের দায়ে কারখানার ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করেছে।

দুদকের পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন বর্তমানে কিশোরগঞ্জ দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে কর্মরত উপপরিচালক মো. ইকবাল হোসেন। তিনি গত ৮ এপ্রিল বাদী হয়ে জামালপুর জেলা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

১০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন জেলা দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মলয় কুমার সাহা।

মামলার আসামিরা হলেন, যমুনা সার কারখানার বরখাস্তকৃত বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক ওয়ায়েছুর রহমান, সহ-ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. মাঈন উদ্দিন, উপ-সহকারী কারিগরি কর্মকর্তা মো. হারুন-অর-রশিদ, উপ-সহকারী কারিগরি কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ, সহকারী বিক্রয় কর্মকর্তা বজলুর রশীদ খান ও অবসরপ্রাপ্ত মহা-ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) খোকন চন্দ্র দাস।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা যোগসাজশের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে যমুনা ফার্টিলাইজার কোং লিমিটেডের ১৮ হাজার ৯শ ১৬.৪৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আত্মসাৎ করেন। যার সরকারি মূল্য ২৯ কোটি ৯৫ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫২.২৪ টাকা।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মলয় কুমার সাহা জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের ২নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘দুদক দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার পর মামলাটি দায়ের করেছে। এখন আদালতের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (জেএফসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) আবু সালেহ মো. মোসলেহ উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, ‘মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে এখন পর্যন্ত অফিসিয়াল বা ননঅফিশিয়ালি কোনো তথ্য পায়নি। তবে আমি এখানে যোগদানের আগে কারখানার বাইরে (বাফার গোডাউনে) সার কেলেঙ্কারির একটি ঘটনা ঘটেছিল বলে শুনেছি।