০৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে ৬ দফা দাবিতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

 

জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ প্রমোশন কোটা বাতিলের দাবিতে নগরের দুই নম্বর গেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন চট্টগ্রামের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর থেকে দুই নম্বর গেট এলাকায়বাংলা ব্লকেডকর্মসূচি শুরু করেন তারা। সময় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শতাধিক শিক্ষার্থী ছয় দফা দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবিক্রাফট ইনস্ট্রাক্টররা কারিগরি ব্যাকগ্রাউন্ডের নন। অধিকাংশই অষ্টম শ্রেণি কিংবা এসএসসি পাস, যাদের মূল দায়িত্ব ল্যাব সহকারী হিসেবে কাজ করা। তাদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত কারিগরি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবেন বলে অভিযোগ তাদের।ছাত্রদের ছয় দফা দাবিগুলো হলোজুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে, ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরসহ সকল পদে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনবল নিয়োগ দিতে হবে, পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের জন্য সব বিভাগীয় শহরে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় অতি শিগগিরই স্থাপন করতে হবে, কারিগরি শিক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর চাকরির আবেদন বাস্তবায়ন করতে হবে, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য প্রাইভেট সেক্টরে সর্বনিম্ন বেতন স্কেল নির্ধারণ করে দিতে হবে এবং জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ কোটা অনতিবিলম্বে বিলুপ্ত করতে হবে।এদিকে, সড়ক অবরোধের ফলে মুরাদপুরবহদ্দারহাট জিইসিমুখী রাস্তায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রী কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। গত ২০ মার্চও একই দাবিতে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা আড়াই ঘণ্টা সড়ক রেললাইন অবরোধ করে আন্দোলন করেন। উল্লেখ্য, জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদটি মূলত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য নির্ধারিত। পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শিক্ষকতা করেন। তবে সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি রায়ের মাধ্যমে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ পদোন্নতি দিয়ে জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এতে ৮ম শ্রেণি, এসএসসি (ভোকেশনাল) এবং এইচএসসি পাস ব্যক্তিরাও এই পদে আসার সুযোগ পাচ্ছেনযা ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সুশিক্ষা ছাড়া সুনাগরিক গড়ে ওঠে না : ড. আবদুল  মঈন খান

চট্টগ্রামে ৬ দফা দাবিতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৮:২০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ প্রমোশন কোটা বাতিলের দাবিতে নগরের দুই নম্বর গেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন চট্টগ্রামের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর থেকে দুই নম্বর গেট এলাকায়বাংলা ব্লকেডকর্মসূচি শুরু করেন তারা। সময় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শতাধিক শিক্ষার্থী ছয় দফা দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবিক্রাফট ইনস্ট্রাক্টররা কারিগরি ব্যাকগ্রাউন্ডের নন। অধিকাংশই অষ্টম শ্রেণি কিংবা এসএসসি পাস, যাদের মূল দায়িত্ব ল্যাব সহকারী হিসেবে কাজ করা। তাদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত কারিগরি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবেন বলে অভিযোগ তাদের।ছাত্রদের ছয় দফা দাবিগুলো হলোজুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে, ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরসহ সকল পদে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনবল নিয়োগ দিতে হবে, পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের জন্য সব বিভাগীয় শহরে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় অতি শিগগিরই স্থাপন করতে হবে, কারিগরি শিক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর চাকরির আবেদন বাস্তবায়ন করতে হবে, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য প্রাইভেট সেক্টরে সর্বনিম্ন বেতন স্কেল নির্ধারণ করে দিতে হবে এবং জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ কোটা অনতিবিলম্বে বিলুপ্ত করতে হবে।এদিকে, সড়ক অবরোধের ফলে মুরাদপুরবহদ্দারহাট জিইসিমুখী রাস্তায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রী কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। গত ২০ মার্চও একই দাবিতে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা আড়াই ঘণ্টা সড়ক রেললাইন অবরোধ করে আন্দোলন করেন। উল্লেখ্য, জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদটি মূলত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য নির্ধারিত। পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শিক্ষকতা করেন। তবে সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি রায়ের মাধ্যমে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ পদোন্নতি দিয়ে জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এতে ৮ম শ্রেণি, এসএসসি (ভোকেশনাল) এবং এইচএসসি পাস ব্যক্তিরাও এই পদে আসার সুযোগ পাচ্ছেনযা ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।