০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবসহ ২১ শিক্ষককে অব্যাহতি

গাইবান্ধা সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার দায়িত্বে অবহেলা ও
পরীক্ষার্থীদের অসদুপায় অবলম্বনে সহায়তার অভিযোগে কেন্দ্র সচিবসহ ২১জন শিক্ষককে দায়িত্ব
থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল বৃহ¯পতিবার গাইবান্ধা সিদ্দিকিয়া
কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল (এসএসসি সমমান) গণিত বিষয়ের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের
পাশাপাশি এমসিকিউ (বহু নির্বাচনী) একই সেট কোডে বিশেষ সুবিধা দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া
হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান
কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পরে পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা মিললে, কেন্দ্র সচিব
ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শরিফ আবু ইউসুফসহ ২১ জন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া
হয়।এছাড়াও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এসময়
উত্তরপত্র যাচাই করে দেখা যায়, ৪৭ জন পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সেট কোড অনুযায়ী নয়, ভিন্ন
কোডে এমসিকিউ অংশের উত্তর দিয়েছেন। পরে তাদের দিয়ে সঠিক সেট কোডে পুনরায় উত্তরপত্র
পূরণ করানো হয়। এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিব শরিফ আবু ইউসুফ বলেন, সকল কক্ষের খবর রাখা একার পক্ষে
সম্ভব নয়। হয়তো কিছু শিক্ষক অসাধু কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। গাইবান্ধা সদও উপজেলা
নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্তদের অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত
করে বলেন, পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র পর্যবেক্ষণ করে বিষয়টি ধরা পড়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে
বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাইবান্ধায় দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবসহ ২১ শিক্ষককে অব্যাহতি

আপডেট সময় : ০২:১৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

গাইবান্ধা সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার দায়িত্বে অবহেলা ও
পরীক্ষার্থীদের অসদুপায় অবলম্বনে সহায়তার অভিযোগে কেন্দ্র সচিবসহ ২১জন শিক্ষককে দায়িত্ব
থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল বৃহ¯পতিবার গাইবান্ধা সিদ্দিকিয়া
কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল (এসএসসি সমমান) গণিত বিষয়ের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের
পাশাপাশি এমসিকিউ (বহু নির্বাচনী) একই সেট কোডে বিশেষ সুবিধা দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া
হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান
কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পরে পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা মিললে, কেন্দ্র সচিব
ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শরিফ আবু ইউসুফসহ ২১ জন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া
হয়।এছাড়াও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এসময়
উত্তরপত্র যাচাই করে দেখা যায়, ৪৭ জন পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সেট কোড অনুযায়ী নয়, ভিন্ন
কোডে এমসিকিউ অংশের উত্তর দিয়েছেন। পরে তাদের দিয়ে সঠিক সেট কোডে পুনরায় উত্তরপত্র
পূরণ করানো হয়। এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিব শরিফ আবু ইউসুফ বলেন, সকল কক্ষের খবর রাখা একার পক্ষে
সম্ভব নয়। হয়তো কিছু শিক্ষক অসাধু কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। গাইবান্ধা সদও উপজেলা
নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্তদের অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত
করে বলেন, পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র পর্যবেক্ষণ করে বিষয়টি ধরা পড়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে
বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।