১২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চৌফলদন্ডীতে রাখাইনদের জলকেলিত বাঁধভাঙ্গা উচ্ছাস

রাখাইন সংস্কৃতির অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাখাইন সাংগ্রেং উৎসব উপলক্ষ্যে রাখাইন সম্প্রদায়ের সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন চৌধুরী।
পুরানো রাখাইন বর্ষকে বিদায় ও নতুন রাখাইন বর্ষকে বরণ করতে ২০ এপ্রিল আয়োজিত ‘সাংগ্রাইং পোয়ে’ বা জলকেলি উৎসবে এসে তিনি এ শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের দক্ষিন রাখাইন পাড়ায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, সাংগ্রেং উৎসব শুধুমাত্র একটি আনন্দের উৎসব নয়। বরং নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে এসেছে এ উৎসব। বক্তৃতায় তিনি আশা প্রকাশ করেন, আনন্দে ভরা, সফলতাময় এবং সকলের জীবনে সুখের বার্তা নিয়ে আসুক এ উৎসব।

নির্বাহী কর্মকর্তা আরো বলেন, “রাখাইনদের এ জলকেলি উৎসব তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম রূপ। এ উৎসব পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরো দৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনজুর আলম, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল, আয়োজক কমিটির পক্ষে উছাচিং রাখাইন মেম্বার, কেংগ্রী রাখাইন সহ স্থানীয় যুব সমাজের নেতৃবৃন্দ, রাখাইন শিক্ষার্থী এবং সাধারণ দর্শনার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
রাখাইন নববর্ষ ১৩৮৭ বরণ ও বিদায় উপলক্ষ্যে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী এ জলকেলিতে ছিল প্রাণের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।

অনুষ্ঠানে পরিবেশিত জনপ্রিয় রাখাইন সংগীত দর্শকদের মুগ্ধ করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোট পর্যবেক্ষণে দেশি-বিদেশি সাড়ে ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষক

চৌফলদন্ডীতে রাখাইনদের জলকেলিত বাঁধভাঙ্গা উচ্ছাস

আপডেট সময় : ১২:২৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

রাখাইন সংস্কৃতির অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাখাইন সাংগ্রেং উৎসব উপলক্ষ্যে রাখাইন সম্প্রদায়ের সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন চৌধুরী।
পুরানো রাখাইন বর্ষকে বিদায় ও নতুন রাখাইন বর্ষকে বরণ করতে ২০ এপ্রিল আয়োজিত ‘সাংগ্রাইং পোয়ে’ বা জলকেলি উৎসবে এসে তিনি এ শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের দক্ষিন রাখাইন পাড়ায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, সাংগ্রেং উৎসব শুধুমাত্র একটি আনন্দের উৎসব নয়। বরং নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে এসেছে এ উৎসব। বক্তৃতায় তিনি আশা প্রকাশ করেন, আনন্দে ভরা, সফলতাময় এবং সকলের জীবনে সুখের বার্তা নিয়ে আসুক এ উৎসব।

নির্বাহী কর্মকর্তা আরো বলেন, “রাখাইনদের এ জলকেলি উৎসব তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম রূপ। এ উৎসব পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরো দৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনজুর আলম, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল, আয়োজক কমিটির পক্ষে উছাচিং রাখাইন মেম্বার, কেংগ্রী রাখাইন সহ স্থানীয় যুব সমাজের নেতৃবৃন্দ, রাখাইন শিক্ষার্থী এবং সাধারণ দর্শনার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
রাখাইন নববর্ষ ১৩৮৭ বরণ ও বিদায় উপলক্ষ্যে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী এ জলকেলিতে ছিল প্রাণের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।

অনুষ্ঠানে পরিবেশিত জনপ্রিয় রাখাইন সংগীত দর্শকদের মুগ্ধ করে।