নোয়াখালী জেলার চাটখিলের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী এলাকার ৯নং খিলপাড়া ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামে গতকাল সোমবার বর্গা চাষী আবুল হোসেনের চাষ করা পাকা ইরি ধান কেটে লুট করে নিয়ে গেছে একদল দূর্বত্তরা। এ ঘটনার পর থেকে এলাকার লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জানা গেছে, বর্গাচাষী আবুল হোসেন সংকরপুর গ্রামের মনির হোসেন ভূষণদের ওয়ারিশি সম্পত্তিতে জমি চাষ করে ইরি ধান রোপন করেন। রোপন করা ইরি ধান যথারীতি পেকেছে। এ ধান লুট করার জন্য গত শনিবার ও রবিবার দূর্বত্তরা সারাদিন মোহড়া দেয়। গতকাল সোমবার ২শত শতাংশ জমির পাকা ধান কেটে জমিতে মাড়াই করে নিয়ে যায়। আবুল হোসেন জানান এখানে ১৪০/১৫০ মন ধান হবে। যার অনুমানিক বাজার মূল্য ২ লক্ষ টাকা। তিনি আরো জানান, এ জমি চাষ করতে তিনি আত্মীয় ¯^জন ও বিভিন্ন স্থান থেকে হাওলত নিয়েছে। তিনি এখন কোথা থেকে এ টাকা পরিশোধ করবেন এ কথা বলে হাউ মাউ করে কাঁদতে থাকেন। নাম প্রকাশ না করা সত্তে¡ কয়েক প্রত্যক্ষ দর্শী জানান, দূর্বত্তরা অস্ত্র-সশ্র নিয়ে ধান লুট করেছে, এতে জমির মালিক ও বর্গাদারসহ কেউ ভয়ে সামনে যেতে পারে নি। শংকরপুর গ্রামের মোজাম্মেল হক(৪৫), মজিবুল হক (৬২), ফারুক (৩২), ফারহান (২৮), পেয়ার হোসেন (৩৫) সহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে এলাকার লোক জনের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বর্গাচাষীর পাকা ধান লুট করেছে। আরো ৩০/৩৫ জন সন্ত্রাসী বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছিল। জমির মালিক ও বর্গাচাষী বিভিন্ন ভাবে বিষয়টি লোকজনকে জানালেও সন্ত্রাসীদের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। জমির মালিক মনির হোসেন জানান, বর্গাদার, তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে দুর্বত্তরা। যার ভয়ে তারা সন্ত্রাসীদের সামনে যাননি। তিনি আরো জানান, তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি চাটখিল থানা অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করা হয়েছে এবং থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। চাটখিল থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ উদ্দিন জানান, থানায় অভিযোগ এলে তিনি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।





















