০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরীক্ষা দিতে এসে সন্তান প্রসব করলেন মাস্টার্স শিক্ষার্থী

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় মাস্টার্সের ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে এসে ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন হাজেরা খাতুন নামে এক শিক্ষার্থী। বুধবার (১৪ মে) সকালে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসব করেন তিনি।
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার চর বজরা গ্রামের হাজেরা খাতুন হাতীবান্ধা সরকারি আলীমুদ্দিন কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শিক্ষার্থী। গর্ভাবস্থায় সব লিখিত পরীক্ষা শেষ করে এদিন ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে অটোরিকশায় কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন তিনি। কলেজ গেটে পৌঁছার আগেই প্রসব ব্যথা ওঠে।
খবর পেয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করায়। পরে সেখানেই তার পরীক্ষা নেওয়া হয়। শিক্ষকরা নবজাতককে উপহারও দেন।
হাজেরা খাতুন বলেন, “সাহস ও সহায়তার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। মাস্টার্স শেষ করে পরিবারকে সহযোগিতা করতে চাই।”
কলেজের পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা মোজাম্মেল হক বলেন,কেন্দ্রে পৌঁছার পূর্বে প্রসব বেদনা উঠলে তারা আমাদের ফোনে অবগত করে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেছি। সন্তান প্রসব হলে হাসপাতালেই তার ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে।
ডা. আনারুল হক জানান,নরমাল ডেলিভারি হলে হাজেরা খাতুন ছেলে সন্তান প্রসব করেন। বর্তমানে নবজাতক ও প্রসূতি দুজনে সুস্থ্য রয়েছেন। তাদেরকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষা দিতে এসে সন্তান প্রসব করলেন মাস্টার্স শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় মাস্টার্সের ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে এসে ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন হাজেরা খাতুন নামে এক শিক্ষার্থী। বুধবার (১৪ মে) সকালে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসব করেন তিনি।
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার চর বজরা গ্রামের হাজেরা খাতুন হাতীবান্ধা সরকারি আলীমুদ্দিন কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শিক্ষার্থী। গর্ভাবস্থায় সব লিখিত পরীক্ষা শেষ করে এদিন ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে অটোরিকশায় কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন তিনি। কলেজ গেটে পৌঁছার আগেই প্রসব ব্যথা ওঠে।
খবর পেয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করায়। পরে সেখানেই তার পরীক্ষা নেওয়া হয়। শিক্ষকরা নবজাতককে উপহারও দেন।
হাজেরা খাতুন বলেন, “সাহস ও সহায়তার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। মাস্টার্স শেষ করে পরিবারকে সহযোগিতা করতে চাই।”
কলেজের পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা মোজাম্মেল হক বলেন,কেন্দ্রে পৌঁছার পূর্বে প্রসব বেদনা উঠলে তারা আমাদের ফোনে অবগত করে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেছি। সন্তান প্রসব হলে হাসপাতালেই তার ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে।
ডা. আনারুল হক জানান,নরমাল ডেলিভারি হলে হাজেরা খাতুন ছেলে সন্তান প্রসব করেন। বর্তমানে নবজাতক ও প্রসূতি দুজনে সুস্থ্য রয়েছেন। তাদেরকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
এমআর/সব