০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে তিস্তার ভাঙনে হুমকিতে জনপদ

লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের হরিণচড়া গ্রামে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে গত দুই দিনে ১০টি বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
হুমকিতে রয়েছে আরও শতাধিক পরিবার। ইতোমধ্যে ধান ও সবজির প্রায় ৩শ’ বিঘা জমিও নদীতে তলিয়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, নদীর স্রোত পরিবর্তিত হয়ে ডানতীর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ভাঙনের মাত্রা বেড়েছে। আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষরা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।
ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং আদর্শ পাড়া, কুঠি পাড়া, মিলন বাজার ও প্রেমের বাজার এলাকা। মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে খুনিয়াগাছ-রাজপুর-রংপুর সংযোগের একমাত্র পাকা সড়কটিও।
গ্রামের বাসিন্দারা জানান, কেউ কেউ ৩-৫ বার পর্যন্ত ঘরবাড়ি সরিয়েছেন। অনেকেই নিঃস্ব হয়ে উঁচু সড়কে আশ্রয় নিয়েছেন। হুমকির মুখে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার, মসজিদ ও ক্লিনিকসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক সরকার বলেন, “নিজস্ব উদ্যোগে বালুর বস্তা ফেলে প্রতিরক্ষা বাঁধ দিয়েছিলাম, কিন্তু তিস্তার স্রোতে তা ভেঙে গেছে। এখন তিন কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন চলছে।”
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শূনিল কুমার রায় বলেন, “তিস্তার ৪৮টি এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। হরিণচড়ার ভাঙনের বিষয়টি জানানো হয়েছে। বরাদ্দ ও অনুমতি পেলে জরুরি প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সরকারি উদ্যোগ না নিলে হরিণচড়ার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

লালমনিরহাটে তিস্তার ভাঙনে হুমকিতে জনপদ

আপডেট সময় : ০৪:০০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের হরিণচড়া গ্রামে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে গত দুই দিনে ১০টি বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
হুমকিতে রয়েছে আরও শতাধিক পরিবার। ইতোমধ্যে ধান ও সবজির প্রায় ৩শ’ বিঘা জমিও নদীতে তলিয়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, নদীর স্রোত পরিবর্তিত হয়ে ডানতীর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ভাঙনের মাত্রা বেড়েছে। আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষরা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।
ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং আদর্শ পাড়া, কুঠি পাড়া, মিলন বাজার ও প্রেমের বাজার এলাকা। মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে খুনিয়াগাছ-রাজপুর-রংপুর সংযোগের একমাত্র পাকা সড়কটিও।
গ্রামের বাসিন্দারা জানান, কেউ কেউ ৩-৫ বার পর্যন্ত ঘরবাড়ি সরিয়েছেন। অনেকেই নিঃস্ব হয়ে উঁচু সড়কে আশ্রয় নিয়েছেন। হুমকির মুখে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার, মসজিদ ও ক্লিনিকসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক সরকার বলেন, “নিজস্ব উদ্যোগে বালুর বস্তা ফেলে প্রতিরক্ষা বাঁধ দিয়েছিলাম, কিন্তু তিস্তার স্রোতে তা ভেঙে গেছে। এখন তিন কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন চলছে।”
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শূনিল কুমার রায় বলেন, “তিস্তার ৪৮টি এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। হরিণচড়ার ভাঙনের বিষয়টি জানানো হয়েছে। বরাদ্দ ও অনুমতি পেলে জরুরি প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সরকারি উদ্যোগ না নিলে হরিণচড়ার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
এমআর/সব