০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজস্থলীতে সেনা অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট জব্দ

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার কাপ্তাই অটল ৫৬ ব্যাটালিয়ন  কাপ্তাই  জোনের আওতাধীন জেলার রাঙ্গামাটি রাজস্থলী  উপজেলায় ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা শুল্কবিহীন দুই হাজার প্যাকেট অবৈধ সিগারেট জব্দ করেছে কাপ্তাই অটল  ৫৬  বেঙ্গলের  রাজস্থলী সাব জোন।
রবিবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাজস্থলী ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় একটি মাহিন্দ্রা গাড়ী দিয়ে   চোরাকারবারীরা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট পাচারের  উদ্দেশে আনা হলে সেনাবাহিনীর নজরে পরে। তাৎক্ষনিক মাহিন্দ্রা গাড়ী তল্লাসী করে বিদেশী সিগেরেট ( ওরিস)    ২৫০০ শত পেকেট জব্দ করে। যার বাজার মূল্য ৩ লক্ষ ৭৫০০০ হাজার টাকা। জব্দকৃত সিগারেট সরকারি নিয়মে  জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পের  সাব জোন কমান্ডার  জানান, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে কোনো পণ্য প্রবেশ ও বাজারজাত করতে দেওয়া হবে না। তিনি আরো বলেন, উর্ধ্বতন দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত নিরাপত্তা ও চোরাচালান প্রতিরোধে সেনাবাহিনীর  আভিযানিক কার্যক্রম সর্বতোভাবে অব্যাহত রয়েছে। চোরাচালানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরো জোরদার হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজস্থলীতে সেনা অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট জব্দ

আপডেট সময় : ০৪:১৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার কাপ্তাই অটল ৫৬ ব্যাটালিয়ন  কাপ্তাই  জোনের আওতাধীন জেলার রাঙ্গামাটি রাজস্থলী  উপজেলায় ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা শুল্কবিহীন দুই হাজার প্যাকেট অবৈধ সিগারেট জব্দ করেছে কাপ্তাই অটল  ৫৬  বেঙ্গলের  রাজস্থলী সাব জোন।
রবিবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাজস্থলী ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় একটি মাহিন্দ্রা গাড়ী দিয়ে   চোরাকারবারীরা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিগারেট পাচারের  উদ্দেশে আনা হলে সেনাবাহিনীর নজরে পরে। তাৎক্ষনিক মাহিন্দ্রা গাড়ী তল্লাসী করে বিদেশী সিগেরেট ( ওরিস)    ২৫০০ শত পেকেট জব্দ করে। যার বাজার মূল্য ৩ লক্ষ ৭৫০০০ হাজার টাকা। জব্দকৃত সিগারেট সরকারি নিয়মে  জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পের  সাব জোন কমান্ডার  জানান, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে কোনো পণ্য প্রবেশ ও বাজারজাত করতে দেওয়া হবে না। তিনি আরো বলেন, উর্ধ্বতন দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত নিরাপত্তা ও চোরাচালান প্রতিরোধে সেনাবাহিনীর  আভিযানিক কার্যক্রম সর্বতোভাবে অব্যাহত রয়েছে। চোরাচালানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরো জোরদার হবে।