যশোর প্রধান ডাকঘরের নৈশপ্রহরী রবিউল ইসলামের (৩৫) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার হয়েছে। সোমবার (২৬ মে) কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। তিন মাস আগে বদলি হয়ে তিনি যোগদান করেছিলেন। নিহত রবিউল মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার ধুয়াইল গ্রামের আকবর আলীর ছেলে।
প্রধান ডাকঘরের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল কার্যালয়ের সুপার মনিরুল আল নূর জানান, রবিউল নিয়মিত নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালন করেন। শনিবার রাতেও তিনি দায়িত্ব পালনের জন্য বাসা থেকে কর্মস্থলে আসেন। সোমবার সকালে ডাকঘরের পাশে নির্মাণাধীন একটি ভবনের নিচতলার একটি রুমে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন সহকর্মীরা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
সহকর্মীরা জানান, সকালে কর্মস্থলে এসে তারা রুবেলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় ব্যান্ডেজের কাপড়ের রশি পেঁচানো ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ব্যান্ডেজের কাপড় হওয়ায় ছিড়ে নিচে পড়ে মাথা ফেটে গেছে।
শ্যালক শামীম জানান, তার দুলাভাই রবিউল
মাগুরা থেকে তিন মাস আগে বদলি হয়ে যশোর প্রধান ডাকঘরে যোগদান করেন । তার এক মেয়ে, এক ছেলে স্ত্রী মাগুরায় থাকেন। কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা বুঝতে পারছেন না।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত জানান, নৈশপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তার মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।






















