০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরপুরের বনাঞ্চলে হাতির জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলা হবে- রিজওয়ানা হাসান

পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শেরপুরের বনাঞ্চলে হাতি -মানুষের দ্বন্দ নিরসনে হাতির জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলা হবে।
আজ সোমবার জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার দাওধারা-কাটাবাড়ি এলাকার প্রস্তাবিত পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের বহু জায়গায় হাতি ও মানুষের সহাবস্থান রয়েছে। কোথাও সংঘাত হয় না৷ কিন্তু আমাদের জায়গা ও খাবার কম৷ এতে হাতির যে পরিমাণ খাবার ও হাঁটার জায়গা প্রয়োজন তা আমরা দিতে পারছি না। এখন কি করলে হাতি আর লোকালয়ে আসবে না আমরা সেই বিষয়ে কাজ করবো।
রিজওয়ানা হাসান আরো বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহনের পর দুই সপ্তাহেই ১২টি হাতি মারা গেছে। এটা কোন স্বাভাবিক ব্যাপার না৷ এই সমস্যাটা বহুদিন যাবত অবহেলিত হতে হতে চরমে পৌঁছে গেছে। যার ফলটা এখন আমরা দেখছি৷ যার একমাত্র সমাধান হচ্ছে হাতি মানুষের সহাবস্থান সৃষ্টি করা।
তিনি বলেন, হাতি মারা যাবে এটা যেমন কাম্য নয়, তেমনি মানুষ মারা যাবে এটাও কাম্য নয়। সে লক্ষ্যে আমরা গারো পাহাড়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছি।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল কবীর, জেলা প্রশাসক তরফদার মহমুদুর রহমান, নলিতাবাড়ীর ইউএনও ফারজানা আক্তার ববি, বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. রেজা খান প্রমুখ।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরের বনাঞ্চলে হাতির জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলা হবে- রিজওয়ানা হাসান

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শেরপুরের বনাঞ্চলে হাতি -মানুষের দ্বন্দ নিরসনে হাতির জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলা হবে।
আজ সোমবার জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার দাওধারা-কাটাবাড়ি এলাকার প্রস্তাবিত পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের বহু জায়গায় হাতি ও মানুষের সহাবস্থান রয়েছে। কোথাও সংঘাত হয় না৷ কিন্তু আমাদের জায়গা ও খাবার কম৷ এতে হাতির যে পরিমাণ খাবার ও হাঁটার জায়গা প্রয়োজন তা আমরা দিতে পারছি না। এখন কি করলে হাতি আর লোকালয়ে আসবে না আমরা সেই বিষয়ে কাজ করবো।
রিজওয়ানা হাসান আরো বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহনের পর দুই সপ্তাহেই ১২টি হাতি মারা গেছে। এটা কোন স্বাভাবিক ব্যাপার না৷ এই সমস্যাটা বহুদিন যাবত অবহেলিত হতে হতে চরমে পৌঁছে গেছে। যার ফলটা এখন আমরা দেখছি৷ যার একমাত্র সমাধান হচ্ছে হাতি মানুষের সহাবস্থান সৃষ্টি করা।
তিনি বলেন, হাতি মারা যাবে এটা যেমন কাম্য নয়, তেমনি মানুষ মারা যাবে এটাও কাম্য নয়। সে লক্ষ্যে আমরা গারো পাহাড়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছি।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল কবীর, জেলা প্রশাসক তরফদার মহমুদুর রহমান, নলিতাবাড়ীর ইউএনও ফারজানা আক্তার ববি, বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. রেজা খান প্রমুখ।
এমআর/সব