লক্ষীপুরের কমলনগরে হাতকড়াসহ সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফ
উদ্দিন রাজন রাজু নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়
জনতা। শনিবার উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরঠিকা গ্রামের রাজুর বাড়ির
সামনে এ ঘটনা ঘটে। রাজু উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বলে জানা
গেছে। এঘটনায় পুলিশ থানায় মামলা করে মিলন (৪৮), শেম্ভু চন্দ্র দাস (৬৬) ও তার
স্ত্রী ইরা দাস (৫০), শ্রী ত্রীকুট চন্দ্র দাস (৫২), আবদুর রহিম (২৭), সঞ্জীত চন্দ্র
দাস (৪২), নুর আলম (৫৫) হেলাল উদ্দিন (৩২) এবং মো. আব্বাছ উদ্দিন (৪০) সহ ৯
জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার পর দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে বিভাগীয়
ব্যাবস্থা সহ এসআই প্রদীপ চন্দ্র শীলকে ক্লোজড্ধসঢ়; ও প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে
সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফ উদ্দিন রাজন রাজুকে শনিবার চরঠিকা
গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেন কমলনগর থানার এএসআই প্রদীপ চন্দ্র দাস। এ সময়
এলাকার প্রায় কয়েক সহস্রাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে
বিক্ষোভ শুরু করেন। এক পর্যায়ে রাজুকে পুলিশের হাত থেকে হাতকড়াসহ
ছিনিয়ে নেন বিক্ষোভকারীরা। পরে রাজু ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন। খবর পেয়ে
ওসি মোহাম্মদ তোহিদুল ইসলাম সেখানে গিয়ে অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের নিয়ে
ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রকিবুল হাসান বলেন,
আওয়ামী লীগ নেতা রাজনকে গ্রেফতারের পর জনতা তাকে ছিনিয়ে নেয়। তাকে
ধরতে পুলিশি অভিযান চলছে। এ দিকে কমলনগরে পুলিশি কাজে বাঁধা ও
হাতকড়াসহ আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফ উদ্দিন রাজন রাজুকে ছিনিয়ে নেওয়ার
ঘটনায় মামলা হয়েছে। শনিবার রাতে কমলনগর থানার এসআই প্রদীপ চন্দ্র শীল বাদী
হয়ে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ জনকে আসামি করে এ মামলা
করেন। পরে ভোরে অভিযান চালিয়ে উপজেলার চরকাদিরা এলাকা থেকে এজাহারনামীয়
৯ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া সবাই উপজেলার চরকাদিরা
ইউনিয়নের বাসিন্দা ও আওয়ামী লীগ নেতা রাজুর অনুসারী বলে জানায় পুলিশ।
তবে ঘটনার পর থেকে রাজু এখনো গ্রেফতার হয়নি।






















