০৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাহ আমানতে বিমানে বোমা উদ্ধারের মহড়া

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল কোনো এয়ারক্রাফটে বোমা বা বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়া গেলে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং বোমা উদ্ধার প্রক্রিয়া অনুশীলন করা।আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, হাইজ্যাক, অগ্নি নিরাপত্তা ও বোমা হামলাসহ বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা মূল্যায়নে প্রতি দুই বছর অন্তর এমন মহড়ার আয়োজন করা হয়।বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকালে অনুষ্ঠিত মহড়ায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, সিএমপি, বাংলাদেশ আনসার, বাংলাদেশ কাস্টমস, বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশ, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল, বিমানবাহিনী মেডিকেল টিম, বিমানবন্দরের মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা একযোগে অংশ নেয়।মহড়ার দৃশ্যে দেখা যায়, বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে একটি বার্তা আসে যে, একটি উড়োজাহাজে বোমা সদৃশ বস্তু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে জানানো হয় এবং দ্রুত প্রতিরোধ প্রক্রিয়া শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট ইউনিট অল্পসময়ের মধ্যেই উড়োজাহাজ থেকে সন্দেহভাজন বস্তুটি শনাক্ত করে নিষ্ক্রিয় করে।বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহ আমানতে বিমানে বোমা উদ্ধারের মহড়া

আপডেট সময় : ০৭:৫৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল কোনো এয়ারক্রাফটে বোমা বা বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়া গেলে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং বোমা উদ্ধার প্রক্রিয়া অনুশীলন করা।আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, হাইজ্যাক, অগ্নি নিরাপত্তা ও বোমা হামলাসহ বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা মূল্যায়নে প্রতি দুই বছর অন্তর এমন মহড়ার আয়োজন করা হয়।বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকালে অনুষ্ঠিত মহড়ায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, সিএমপি, বাংলাদেশ আনসার, বাংলাদেশ কাস্টমস, বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশ, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল, বিমানবাহিনী মেডিকেল টিম, বিমানবন্দরের মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা একযোগে অংশ নেয়।মহড়ার দৃশ্যে দেখা যায়, বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে একটি বার্তা আসে যে, একটি উড়োজাহাজে বোমা সদৃশ বস্তু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে জানানো হয় এবং দ্রুত প্রতিরোধ প্রক্রিয়া শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট ইউনিট অল্পসময়ের মধ্যেই উড়োজাহাজ থেকে সন্দেহভাজন বস্তুটি শনাক্ত করে নিষ্ক্রিয় করে।বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।
এমআর/সব