১২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মাদারগঞ্জে গ্যাসকূপে খনন শুরু

দৈনিক মিলবে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন শেষে জামালপুরের মাদারগঞ্জের তারতা পাড়ায় গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু হয়েছে। প্রায় ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে জামালপুর-১ অনুসন্ধান প্রকল্পের এই গ্যাস কূপের খনন শেষে দৈনিক ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।
আজ শনিবার এই খনন কার্যক্রমের শুরু হয়েছে।
এর ২৪ জানুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এই কূপ খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। টানা ৯০ দিন চল এই খননকাজ। এই কূপ থেকে উত্তোলিত গ্যাস দেশের সর্ববৃহৎ যমুনা সার কারখানা সহ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে। এতে দেশের অর্থনীতি ও শিল্পায়ন আরও গতিশীল হবে।
এরপর পরীক্ষা কার্যক্রম শেষ করে কূপ খননের কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। এ অনুসন্ধানী খনন কাজটি শেষ হলে দৈনিক গড়ে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহসহ এ গ্যাস পাওয়া যাবে আগামী ২৫ থেকে ৩০ বছর। উত্তোলন করা এসব গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বাপেক্স সূত্র জানায়, প্রায় ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে জামালপুর-১ অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের আওতায় খননের কাজ শুরু হয়েছে। খনন কাজের সাথে বাপেক্সের প্রকৌশলী ও শ্রমিকসহ ২২০ জনের একটি টিম জড়িত আছে।
সূত্র আরও জানায়, প্রাথমিকভাবে কূপটি মাটির নিচে ২ হাজার ৮০০ মিটার পর্যন্ত খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কূপটির তিন টি জোনে প্রাকৃতিক গ্যাস মিলতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে। কূপটির খনন অধিকর্তা মো. রফিকুল হাসান বলেন, এই কূপের তিনটি স্তরে গ্যাস থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এখান থেকে কি পরিমান গ্যাস পাওয়া যাবে এর সঠিক হিসাব খনন শেষে পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য, পেট্রোবাংলা রূপকল্প-৩ প্রকল্পের আওতায় মাদারগঞ্জ উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে ২০১৭ সালে উপজেলার তারতাপাড়া এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধান প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। ১৬৭ কোটি টাকার ওই প্রকল্পে প্রায় ৬ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন এবং লিংক রোড নির্মাণকাজ শেষে আজারবাইজানের গ্যাসকূপ খনন প্রতিষ্ঠান সকার (স্টেট ওয়েল কোম্পানি অব দ্য আজারবাইজান রিপাবলিক) খনন কাজ না করে চলে যায়। এ অবস্থায় দীর্ঘ সাত বছর পর জামালপুর-১ নামে প্রকল্পের আওতায় দেশি প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের মাধ্যমে পুনরায় এই অনুসন্ধান কূপের খননকাজ শুরু করা হয়।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে বলবে আইসিসি, বদলাবে ভেন্যু

মাদারগঞ্জে গ্যাসকূপে খনন শুরু

দৈনিক মিলবে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

আপডেট সময় : ০৯:১০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন শেষে জামালপুরের মাদারগঞ্জের তারতা পাড়ায় গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু হয়েছে। প্রায় ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে জামালপুর-১ অনুসন্ধান প্রকল্পের এই গ্যাস কূপের খনন শেষে দৈনিক ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।
আজ শনিবার এই খনন কার্যক্রমের শুরু হয়েছে।
এর ২৪ জানুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এই কূপ খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। টানা ৯০ দিন চল এই খননকাজ। এই কূপ থেকে উত্তোলিত গ্যাস দেশের সর্ববৃহৎ যমুনা সার কারখানা সহ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে। এতে দেশের অর্থনীতি ও শিল্পায়ন আরও গতিশীল হবে।
এরপর পরীক্ষা কার্যক্রম শেষ করে কূপ খননের কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। এ অনুসন্ধানী খনন কাজটি শেষ হলে দৈনিক গড়ে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহসহ এ গ্যাস পাওয়া যাবে আগামী ২৫ থেকে ৩০ বছর। উত্তোলন করা এসব গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বাপেক্স সূত্র জানায়, প্রায় ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে জামালপুর-১ অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের আওতায় খননের কাজ শুরু হয়েছে। খনন কাজের সাথে বাপেক্সের প্রকৌশলী ও শ্রমিকসহ ২২০ জনের একটি টিম জড়িত আছে।
সূত্র আরও জানায়, প্রাথমিকভাবে কূপটি মাটির নিচে ২ হাজার ৮০০ মিটার পর্যন্ত খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কূপটির তিন টি জোনে প্রাকৃতিক গ্যাস মিলতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে। কূপটির খনন অধিকর্তা মো. রফিকুল হাসান বলেন, এই কূপের তিনটি স্তরে গ্যাস থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এখান থেকে কি পরিমান গ্যাস পাওয়া যাবে এর সঠিক হিসাব খনন শেষে পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য, পেট্রোবাংলা রূপকল্প-৩ প্রকল্পের আওতায় মাদারগঞ্জ উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে ২০১৭ সালে উপজেলার তারতাপাড়া এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধান প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। ১৬৭ কোটি টাকার ওই প্রকল্পে প্রায় ৬ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন এবং লিংক রোড নির্মাণকাজ শেষে আজারবাইজানের গ্যাসকূপ খনন প্রতিষ্ঠান সকার (স্টেট ওয়েল কোম্পানি অব দ্য আজারবাইজান রিপাবলিক) খনন কাজ না করে চলে যায়। এ অবস্থায় দীর্ঘ সাত বছর পর জামালপুর-১ নামে প্রকল্পের আওতায় দেশি প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের মাধ্যমে পুনরায় এই অনুসন্ধান কূপের খননকাজ শুরু করা হয়।
এমআর/সব