০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাবিপ্রবিতে কৃষকদের জন্য ‘পরিবেশ বান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

দিনাজপুরে ৪০জন কৃষকের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী “পরিবেশ বান্ধব কৃষি বস্থাপনা” বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) কৃষক সেবা কেন্দ্রের আয়োজনে এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের ল্যাব রুমে উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালার আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হাবিপ্রবির ভাইস- চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ এনামউল্যা। কৃষক সেবা কেন্দ্র’র পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসানের সভাপতিত্বে এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের লেকচারার সুস্মিতা শারমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম সিকদার এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম সিকদার বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ফসল উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। অনেক সময় অধিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারে সাময়িক উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও দীর্ঘমেয়াদে মাটির জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই পরিবেশ বান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনায় মাটির গুণগত মান ও খাদ্যের পুষ্টিগুণ রক্ষা করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ এনামউল্যা উপস্থিত কৃষকগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা যে যতো বড় চাকুরী করিনা কেন, দিনের শেষে তিন বেলা খেতেই হয়। এই খাবারের উৎপাদক আপনারাই, আমরা সকলেই এক্ষেত্রে আপনাদের উপর নির্ভরশীল। আমরা জানি বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ, তাই কৃষির উৎপাদন ভালো হলে আমরা ভালো থাকবো, আর কৃষির উৎপাদন ভালো না হলে আমরা ভালো থাকতে পারবো না। আপনারা অনেকেই জানেন, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, তখন কৃষি জমির পরিমাণ যা ছিল বর্তমানে আরও কমেছে, জনসংখ্যাও ছিল মাত্র ৭ কোটি, কিন্তু তখন খাদ্য সংকট ছিল। অথচ বর্তমানে জনসংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে, কৃষি জমির পরিমাণ কমে গেছে, তারপরও আলহামদুলিল্লাহ্; এখন আগের মতো আর খাদ্য সংকট নেই। এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে কৃষিবিদ ও কৃষকদের নিরলসভাবে পরিশ্রমের কারণে।
তিনি বলেন, এই এলাকার জনগনের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে। এ ধরণের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি আপনাদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। তিনি আরও বলেন, আপনারাই দেশের মূল চালিকাশক্তি ও হৃদপিণ্ড। আপনারা যে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন সেটার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। কৃষি সম্পর্কিত যেকোন পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে আমরা নিয়োজিত আছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাবিপ্রবিতে কৃষকদের জন্য ‘পরিবেশ বান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

দিনাজপুরে ৪০জন কৃষকের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী “পরিবেশ বান্ধব কৃষি বস্থাপনা” বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) কৃষক সেবা কেন্দ্রের আয়োজনে এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের ল্যাব রুমে উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালার আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হাবিপ্রবির ভাইস- চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ এনামউল্যা। কৃষক সেবা কেন্দ্র’র পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসানের সভাপতিত্বে এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের লেকচারার সুস্মিতা শারমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম সিকদার এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম সিকদার বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ফসল উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। অনেক সময় অধিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারে সাময়িক উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও দীর্ঘমেয়াদে মাটির জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই পরিবেশ বান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনায় মাটির গুণগত মান ও খাদ্যের পুষ্টিগুণ রক্ষা করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ এনামউল্যা উপস্থিত কৃষকগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা যে যতো বড় চাকুরী করিনা কেন, দিনের শেষে তিন বেলা খেতেই হয়। এই খাবারের উৎপাদক আপনারাই, আমরা সকলেই এক্ষেত্রে আপনাদের উপর নির্ভরশীল। আমরা জানি বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ, তাই কৃষির উৎপাদন ভালো হলে আমরা ভালো থাকবো, আর কৃষির উৎপাদন ভালো না হলে আমরা ভালো থাকতে পারবো না। আপনারা অনেকেই জানেন, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, তখন কৃষি জমির পরিমাণ যা ছিল বর্তমানে আরও কমেছে, জনসংখ্যাও ছিল মাত্র ৭ কোটি, কিন্তু তখন খাদ্য সংকট ছিল। অথচ বর্তমানে জনসংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে, কৃষি জমির পরিমাণ কমে গেছে, তারপরও আলহামদুলিল্লাহ্; এখন আগের মতো আর খাদ্য সংকট নেই। এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে কৃষিবিদ ও কৃষকদের নিরলসভাবে পরিশ্রমের কারণে।
তিনি বলেন, এই এলাকার জনগনের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে। এ ধরণের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি আপনাদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। তিনি আরও বলেন, আপনারাই দেশের মূল চালিকাশক্তি ও হৃদপিণ্ড। আপনারা যে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন সেটার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। কৃষি সম্পর্কিত যেকোন পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে আমরা নিয়োজিত আছি।