০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাঘায় সহকারী কাস্টোডিয়ান দবির হোসোনের বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

`তার কাছ থেকে কেউ টাকা আদায় করতে পারবেন না’

যশোরে ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে মেহেদি হাসান নামে এক যুবকের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে প্রতারক দবির হোসেন মোটা অংকের এই টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন। এ ব্যাপারে গত ৫ মে যশোরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করার পর তিনি (দবির) বেজায়ভাবে চটেছেন। প্রতারক দবিবের দাম্ভিকতা ‘তার কাছ থেকে কেউ টাকা আদায় করতে পারবেন না’। মেহেদি হাসান বলছেন, টাকা ফেরত না পেলে আত্মহত্যা করা ছাড়া কোন উপায় নেই। তিনি যশোর সদর উপজেলার ইছাপুর গ্রামের মশিয়ার রহমানের ছেলে।
মেহেদি হাসান মামলায় উল্লেখ করেছেন, যশোর সদরের নোঙরপুর গ্রামের মমরেজ মোল্যার ছেলে দবির হোসেন একজন প্রতারক। বর্তমানে তিনি (দবির) রাজশাহীর বাঘা জাদুঘরে সহকারী কাস্টোডিয়ান হিসেবে কর্মরত। কয়েক মাস আগে ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে দবির হোসেন তার (মেহেদি হাসান) কাছে থেকে ১২ লাখ টাকা নেন। পূর্ব পরিচিত হওয়ায় বিশ্বাস করে ধার হিসেবে তাকে টাকাগুলো দিয়েছিলেন। ওই টাকা ফেরত চাইলে দবির হোসেন গত ৯ মার্চ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি দিলকুশা শাখার (১২ লাখ টাকা) একটি চেক দেন। যার হিসাব নম্বর-৭৩২১৩৪৪০৪০১০০৬৬৭৭ ও চেক নম্বর -১০৭৮৭০৩৭৫। গত ১০ মার্চ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, যশোর শাখায় চেক জমা দেয়া হলে কর্তৃপক্ষ তা ডিজঅনার করেন। কেননা দবিরের হিসাব নম্বরে কোন টাকা ছিল না। পরে ২০ মার্চ লিগ্যাল নোটিশ পাঠালেও তার পাওনা টাকা পরিশোধ করা হয়নি।
মাসুদ হাসান জানান, তিনি কখনো ভাবতে পারেননি দবির হোসেন তার সাথে প্রতারণা করবেন। বর্তমানে তিনি ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করছেন। মামলা করার পর তাদের ওপর বেজায় চটেছেন। নানা ধরণের হুমকি -ধামকি দিয়ে বলছেন ‘আমি মন্ত্রণালয়ের অধিনে চাকরি করি, কেউ আমার কাছ থেকে টাকা আদায় করতে পারবেন না’। মাসুদ হাসান জানান, মোটা অংকের টাকা হারিয়ে তিনি এখন নিঃস্ব হতে চলেছেন। টাকা ফেরত না পেলে আত্মহত্যা করা ছাড়া কোন উপায় থাকবেনা। এই ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন দাবি করেছেন, দবির হোসেন চাকরি বাণিজ্যের সাথে জড়িত। তিনি অসহায় মানুষকে চাকরি দেওয়ার নাম করেও মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। তার ফাঁদে পড়ে মেহেদি হাসানের মত অনেক মানুষ নিঃস্ব হতে চলেছে।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে মুঠোফোনে কল করা হলে দবির হোসেন জানান, এই বিষয়ে আমি কিছু জানি না এবং কিছু বলতে চাইছি না। যদি কিছু হয়ে থাকে সেইভাবে প্রস্তুতি চলবে। আমার কাছে জিজ্ঞাসা করার কিছু নাই। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে আমার বক্তব্য নিতে পারেন বলেন আমরা তো অফিস চালাই। আপনার বিরুদ্ধে টাকা হাতিয়ে নেয়া ও প্রতারণার বিষয়ে মামলা হয়েছে আপনি এই ঘটনার সাথে জড়িত কিনা আপনার বক্তব্য নিতে পারবোনা প্রশ্নে দবির হোসেন বলেন আসলে এটা আমি জানিনা। আমি নিলে প্রমাণ হবে। চেক প্রদানের বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান দবির হোসেন।
এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঘায় সহকারী কাস্টোডিয়ান দবির হোসোনের বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

`তার কাছ থেকে কেউ টাকা আদায় করতে পারবেন না’

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

যশোরে ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে মেহেদি হাসান নামে এক যুবকের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে প্রতারক দবির হোসেন মোটা অংকের এই টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন। এ ব্যাপারে গত ৫ মে যশোরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করার পর তিনি (দবির) বেজায়ভাবে চটেছেন। প্রতারক দবিবের দাম্ভিকতা ‘তার কাছ থেকে কেউ টাকা আদায় করতে পারবেন না’। মেহেদি হাসান বলছেন, টাকা ফেরত না পেলে আত্মহত্যা করা ছাড়া কোন উপায় নেই। তিনি যশোর সদর উপজেলার ইছাপুর গ্রামের মশিয়ার রহমানের ছেলে।
মেহেদি হাসান মামলায় উল্লেখ করেছেন, যশোর সদরের নোঙরপুর গ্রামের মমরেজ মোল্যার ছেলে দবির হোসেন একজন প্রতারক। বর্তমানে তিনি (দবির) রাজশাহীর বাঘা জাদুঘরে সহকারী কাস্টোডিয়ান হিসেবে কর্মরত। কয়েক মাস আগে ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে দবির হোসেন তার (মেহেদি হাসান) কাছে থেকে ১২ লাখ টাকা নেন। পূর্ব পরিচিত হওয়ায় বিশ্বাস করে ধার হিসেবে তাকে টাকাগুলো দিয়েছিলেন। ওই টাকা ফেরত চাইলে দবির হোসেন গত ৯ মার্চ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি দিলকুশা শাখার (১২ লাখ টাকা) একটি চেক দেন। যার হিসাব নম্বর-৭৩২১৩৪৪০৪০১০০৬৬৭৭ ও চেক নম্বর -১০৭৮৭০৩৭৫। গত ১০ মার্চ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, যশোর শাখায় চেক জমা দেয়া হলে কর্তৃপক্ষ তা ডিজঅনার করেন। কেননা দবিরের হিসাব নম্বরে কোন টাকা ছিল না। পরে ২০ মার্চ লিগ্যাল নোটিশ পাঠালেও তার পাওনা টাকা পরিশোধ করা হয়নি।
মাসুদ হাসান জানান, তিনি কখনো ভাবতে পারেননি দবির হোসেন তার সাথে প্রতারণা করবেন। বর্তমানে তিনি ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করছেন। মামলা করার পর তাদের ওপর বেজায় চটেছেন। নানা ধরণের হুমকি -ধামকি দিয়ে বলছেন ‘আমি মন্ত্রণালয়ের অধিনে চাকরি করি, কেউ আমার কাছ থেকে টাকা আদায় করতে পারবেন না’। মাসুদ হাসান জানান, মোটা অংকের টাকা হারিয়ে তিনি এখন নিঃস্ব হতে চলেছেন। টাকা ফেরত না পেলে আত্মহত্যা করা ছাড়া কোন উপায় থাকবেনা। এই ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন দাবি করেছেন, দবির হোসেন চাকরি বাণিজ্যের সাথে জড়িত। তিনি অসহায় মানুষকে চাকরি দেওয়ার নাম করেও মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। তার ফাঁদে পড়ে মেহেদি হাসানের মত অনেক মানুষ নিঃস্ব হতে চলেছে।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে মুঠোফোনে কল করা হলে দবির হোসেন জানান, এই বিষয়ে আমি কিছু জানি না এবং কিছু বলতে চাইছি না। যদি কিছু হয়ে থাকে সেইভাবে প্রস্তুতি চলবে। আমার কাছে জিজ্ঞাসা করার কিছু নাই। আপনি কি সাংবাদিক হিসেবে আমার বক্তব্য নিতে পারেন বলেন আমরা তো অফিস চালাই। আপনার বিরুদ্ধে টাকা হাতিয়ে নেয়া ও প্রতারণার বিষয়ে মামলা হয়েছে আপনি এই ঘটনার সাথে জড়িত কিনা আপনার বক্তব্য নিতে পারবোনা প্রশ্নে দবির হোসেন বলেন আসলে এটা আমি জানিনা। আমি নিলে প্রমাণ হবে। চেক প্রদানের বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান দবির হোসেন।
এমআর/সবা