০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাতীবান্ধায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আটক

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় থানা অবরোধ করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা আহ্বায়ক খন্দকার নূর নবী কাজলকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের বটতলী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার মৃত শাহ আবুল কাশেমের ছেলে।
পুলিশ বলছে, বুধবার ২ জুন রাতে পাটগ্রাম থানায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের সময় পাশের হাতীবান্ধা থানা থেকে পুলিশ যাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারে, সে জন্য বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা থানার ফটকে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে।
সে সময় সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল-বি) জয়ন্ত কুমার সেন ও হাতীবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন-নবী তিনটি গাড়ি নিয়ে উদ্ধার অভিযানে বের হয়েছিলেন।
তবে রাত সাড়ে ১১টার দিকে থানার ফটকের সামনে পৌঁছালে সেখানে ৭০-৮০টি মোটরসাইকেল দাঁড় করিয়ে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়। অন্তত ৪০ মিনিট অবরুদ্ধ করে রাখা হয় পুলিশ সদস্যদের।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাতে হাতীবান্ধা থানার এএসআই শাহেদুল ইসলাম বাদী হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এতে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার নাম রয়েছে।
হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুন-নবী বলেন, ২ জুলাইয়ের ঘটনায় দায়ের করা মামলার ১ নং আসামি খন্দকার নূর নবী কাজলকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং গত শুক্রবার বিকেলে মামলার ১৫ নং আসামি মাহফুজুর রহমান বিপ্লবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের দু’জনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে।
এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতীবান্ধায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আটক

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় থানা অবরোধ করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা আহ্বায়ক খন্দকার নূর নবী কাজলকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের বটতলী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার মৃত শাহ আবুল কাশেমের ছেলে।
পুলিশ বলছে, বুধবার ২ জুন রাতে পাটগ্রাম থানায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের সময় পাশের হাতীবান্ধা থানা থেকে পুলিশ যাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারে, সে জন্য বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা থানার ফটকে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে।
সে সময় সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল-বি) জয়ন্ত কুমার সেন ও হাতীবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন-নবী তিনটি গাড়ি নিয়ে উদ্ধার অভিযানে বের হয়েছিলেন।
তবে রাত সাড়ে ১১টার দিকে থানার ফটকের সামনে পৌঁছালে সেখানে ৭০-৮০টি মোটরসাইকেল দাঁড় করিয়ে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়। অন্তত ৪০ মিনিট অবরুদ্ধ করে রাখা হয় পুলিশ সদস্যদের।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাতে হাতীবান্ধা থানার এএসআই শাহেদুল ইসলাম বাদী হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এতে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার নাম রয়েছে।
হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুন-নবী বলেন, ২ জুলাইয়ের ঘটনায় দায়ের করা মামলার ১ নং আসামি খন্দকার নূর নবী কাজলকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং গত শুক্রবার বিকেলে মামলার ১৫ নং আসামি মাহফুজুর রহমান বিপ্লবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের দু’জনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে।
এমআর/সবা