১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুর মাতৃসদনে অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যু

জামালপুরে নগর মাতৃসদন কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ডাক্তার ছাড়া নার্স ও আয়া দারা নারীকে স্বাভাবিক প্রসব করাতে গিয়ে এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৫ জুলাই) ভোরে শহরের পশ্চিম ফুলবাড়িয়া কলাবাগান এলাকায় জামালপুর পৌরসভার বাস্তবায়নে ও আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত নগর মাতৃসদন কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নবজাতকের পিতা সোহেল আনসারী জানান ,শুক্রবার সন্ধ্যায় আমার স্ত্রী নৌরিন জান্নাত মৌকে প্রসববেদনা নিয়ে নগর মাতৃসদনে ভর্তি করাই। ওই সময় হাসপাতালে কোনো গাইনী চিকিৎসক উপস্থিত না থাকলেও হাসপাতালের নার্স শিরিন আক্তার ও আয়া ময়না ভোররাতে প্রসূতিকে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করে।
টেনে-হিঁচড়ে বের করার সময় শিশুটির শরীরে একাধিক জায়গায় আঘাত লেগেছে এবং তার গলায় এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে জানান সোহেল। সোহেল আনসারীর বাড়ি সদর উপজেলার নারিকেলি এলাকায়।
এটা তার প্রথম সন্তান ছিল বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত নার্স ও আয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে সদর থানায় নিয়ে যায় হয়। জামালপুর সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) ফয়সল আতিক জানান, এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর মাতৃসদনে অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

জামালপুরে নগর মাতৃসদন কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ডাক্তার ছাড়া নার্স ও আয়া দারা নারীকে স্বাভাবিক প্রসব করাতে গিয়ে এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৫ জুলাই) ভোরে শহরের পশ্চিম ফুলবাড়িয়া কলাবাগান এলাকায় জামালপুর পৌরসভার বাস্তবায়নে ও আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত নগর মাতৃসদন কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নবজাতকের পিতা সোহেল আনসারী জানান ,শুক্রবার সন্ধ্যায় আমার স্ত্রী নৌরিন জান্নাত মৌকে প্রসববেদনা নিয়ে নগর মাতৃসদনে ভর্তি করাই। ওই সময় হাসপাতালে কোনো গাইনী চিকিৎসক উপস্থিত না থাকলেও হাসপাতালের নার্স শিরিন আক্তার ও আয়া ময়না ভোররাতে প্রসূতিকে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করে।
টেনে-হিঁচড়ে বের করার সময় শিশুটির শরীরে একাধিক জায়গায় আঘাত লেগেছে এবং তার গলায় এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে জানান সোহেল। সোহেল আনসারীর বাড়ি সদর উপজেলার নারিকেলি এলাকায়।
এটা তার প্রথম সন্তান ছিল বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত নার্স ও আয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে সদর থানায় নিয়ে যায় হয়। জামালপুর সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) ফয়সল আতিক জানান, এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমআর/সবা