ফেনীতে দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে সকল রেকর্ড ভেঙে যখন জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসে। বাসা বাড়িতে পানির নিতে তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক মাঠে নেম পড়েন
পৌর প্রশাসন গোলাম মোহাম্মদ বাতেন।
তখন বাসায় বসে না থেকে অভিভাবক সূলভ তাৎক্ষণিক জলাবদ্ধতা নিরসনে বেশ কিছু প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন ফেনীর পৌর প্রশাসক ও ফেনী স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন সহ নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ।
ফেনীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস, যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। এতে করে শহরের নিন্ম এলাকায় জলবদ্ধতার কারনে জনদুর্ভোগ সৃস্টি হয়েছে।
সোমবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত এই বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। ফেনী আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে শহরের,এস এসকে সড়ক,মাস্টার পাড়া,সহদেবপুর, শান্তি কোম্পানি রোড়, রামপুর শাহীন একাডেমি এলাকা, পাঠানবাড়ি এলাকা, নাজির রোড, পেট্রোবাংলোসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন জানান, গতকাল থেকে ফেনীতে রেকর্ড পরিমান বৃষ্টি হচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিস্কার থাকার পরও পানি নামতে সময় লাগছে। সকাল থেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে একাদিক টিম কাজ করছে। প্রশাসক মহোদয় সার্বক্ষনিক মনিটরিং করছেন।
টানা বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
জানাযায়, বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতাকে উপেক্ষা করে পৌরসভার কর্মকর্তাদের নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরশনে ও পর্যবেক্ষণ সহ দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য পৌর বজ্য ব্যবস্থাপনা কর্মচারীদের মাঠে নামিয়ে দিয়ে খাল নালায় পানি আঁটকে পড়া জায়গা গুলোতে বজ্য অপসারণ করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দেন। এতে করে দ্রুত পানি নেমে পড়ে।
তাতে সকল উদ্বেগ উৎকণ্ঠা কাটিয়ে দ্রুত জলাবদ্ধতার পানি নেমে যায়। এবং জনমনে স্বস্তি ফিরে আসে।
খাল ও নালা থেকে পৌর কর্মচারীরা বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে তাৎক্ষণিক খাল ও নালার মুখে আটকে পড়া প্রায় ৫০টন বজ্য উত্তোলন করেছেন। যা ইতিমধ্যে ফেনী শহরে বসবাস কারীদের দৃষ্টি গোচরে এসে প্রশংসিত হচ্ছে।
পৌর শহরের জলাবদ্ধতা অধিকাংশ পানি ইতিমধ্যে নেমে সড়ক গুলো চলাচলের উপযোগী হয়েছে। শহরবাসীর উদ্বেগ উৎকণ্ঠা কেটে গেছে।
পৌর সভার বাসিন্দা নাছির উদ্দীন বলেন, গোলাম মোহাম্মদ বাতেন একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে যে ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে স্বল্প সময়ে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে নেমে পড়ে তাৎক্ষণিকভাবে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা সত্যি প্রশংসাার দাবি রাখে।
পৌর শহরের বাসিন্দা সংবাদকর্মী সাইফুল আলম হিরন বলেন, রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধি না হয়েও গোলাম মোহাম্মদ বাতেন উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যে রাত পর্যন্ত ফেনী শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে যে ভূমিকা দেখিয়েছেন, তা প্রশংসার দাবী রাখে। মূল কথা হলো জনগনের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকা আর ইচ্ছা শক্তি থাকাটাই বড় কথা। যা তিনি তার টিম নিয়ে দেখিয়েছেন।
























