ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হলেও জনগণের দুর্ভোগ কমাতে জেলা প্রশাসন বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র, খাদ্য সহায়তা ও মানবিক সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজও তৎপর রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ফেনীর বিভিন্ন এলাকায় খোলা ৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় সাত হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। গতকাল বুধবার (৯ জুলাই) রাতে এসব আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরতদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রীর যথেষ্ট মজুত রয়েছে। কোথাও সহায়তা পৌঁছাতে বিলম্ব হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এদিকে, ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহরিয়া ইসলাম বুধবার রাতে বন্যাকবলিতদের মধ্যে খাবার ও অন্যান্য সহায়তা বিতরণ করেন। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের মধ্যে রান্না করা খাবারও সরবরাহ করা হয়।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি যুবদল, ছাত্রদল, জামায়াতে ইসলামীর,পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনীরসহ বিভিন্ন ইউনিট এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা এ সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে ভারতের উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল এবং ভারী বৃষ্টিপাতে মুহুরি ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অন্তত ১৫টি স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। এতে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার বহু গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়। প্লাবিত এলাকাগুলোর বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এমআর/সবা
























