০১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে শিক্ষার্থীর সাহসিকতায় বাল্যবিয়ে বন্ধ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মাত্র ১৩ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী রুহি আক্তার সাহসিকতার এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। পরিবারের বিয়ের পরিকল্পনার খবর পেয়ে সে নিজেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি আবেগভরা দরখাস্ত জমা দেয়। সেখানে সে লেখে, “আমি এখনো অপ্রাপ্তবয়স্ক। আমাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি বিয়ে করতে চাই না, আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই।”

ঘটনাটি ঘটে কড়ৈতলী উচ্চ বিদ্যালয়ে। দরখাস্ত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রধান শিক্ষক পংকজ শর্মা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও ইউএনও বরাবর বিষয়টি জানান এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা চান। পরে উপজেলা প্রশাসন ও থানা যৌথভাবে পদক্ষেপ নিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেয়।

রুহির মা সুমি বেগম গণমাধ্যমকে জানান, বিয়ে নিয়ে পারিবারিক আলোচনা চললেও এখন সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. শাহ আলম জানান, প্রশাসন এ ধরনের বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। রুহির মতো শিক্ষার্থীর সাহসিকতা প্রমাণ করে—সচেতনতা ও শিক্ষা থাকলে সমাজ থেকে বাল্যবিয়ের মতো কুপ্রথা রোধ করা সম্ভব।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে শিক্ষার্থীর সাহসিকতায় বাল্যবিয়ে বন্ধ

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মাত্র ১৩ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী রুহি আক্তার সাহসিকতার এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। পরিবারের বিয়ের পরিকল্পনার খবর পেয়ে সে নিজেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি আবেগভরা দরখাস্ত জমা দেয়। সেখানে সে লেখে, “আমি এখনো অপ্রাপ্তবয়স্ক। আমাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি বিয়ে করতে চাই না, আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই।”

ঘটনাটি ঘটে কড়ৈতলী উচ্চ বিদ্যালয়ে। দরখাস্ত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রধান শিক্ষক পংকজ শর্মা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও ইউএনও বরাবর বিষয়টি জানান এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা চান। পরে উপজেলা প্রশাসন ও থানা যৌথভাবে পদক্ষেপ নিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেয়।

রুহির মা সুমি বেগম গণমাধ্যমকে জানান, বিয়ে নিয়ে পারিবারিক আলোচনা চললেও এখন সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. শাহ আলম জানান, প্রশাসন এ ধরনের বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। রুহির মতো শিক্ষার্থীর সাহসিকতা প্রমাণ করে—সচেতনতা ও শিক্ষা থাকলে সমাজ থেকে বাল্যবিয়ের মতো কুপ্রথা রোধ করা সম্ভব।

এমআর/সবা