০১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে শোবার ঘর থেকে গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী নিখোঁজ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় শোবার ঘর থেকে এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী নিখোঁজ রয়েছেন।

রোববার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দিগদারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম মহিমা বেগম। তিনি ওই এলাকার বাবলু মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, বাবলু মিয়া দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। সেখানে তিনি রিকশার গ্যারেজ ও মেস পরিচালনা করতেন। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন। রোববার সন্ধ্যায় তাদের ঢাকায় ফেরার কথা থাকলেও তারা আর যাননি।

সোমবার ভোরে বাবলু মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে দেখতে পান ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। এ সময় চিৎকার করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা এসে দেখেন বাড়ির সব কটি ঘরের দরজাই বাইরে থেকে আটকানো। পরে ঘরের ভেতরে ঢুকে বিছানায় মহিমা বেগমের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তবে বাবলু মিয়াকে কোথাও পাওয়া যায়নি।

নিহতের গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহের পাশ থেকে একটি ধারালো ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে, যা হত্যায় ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।

খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মহিমা বেগমকে তার স্বামী কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যেতে পারেন। তবে কেউ স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীকে অপহরণ করেছে কি না— সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে শোবার ঘর থেকে গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী নিখোঁজ

আপডেট সময় : ০৪:১৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় শোবার ঘর থেকে এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী নিখোঁজ রয়েছেন।

রোববার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দিগদারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম মহিমা বেগম। তিনি ওই এলাকার বাবলু মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, বাবলু মিয়া দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। সেখানে তিনি রিকশার গ্যারেজ ও মেস পরিচালনা করতেন। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন। রোববার সন্ধ্যায় তাদের ঢাকায় ফেরার কথা থাকলেও তারা আর যাননি।

সোমবার ভোরে বাবলু মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে দেখতে পান ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। এ সময় চিৎকার করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা এসে দেখেন বাড়ির সব কটি ঘরের দরজাই বাইরে থেকে আটকানো। পরে ঘরের ভেতরে ঢুকে বিছানায় মহিমা বেগমের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তবে বাবলু মিয়াকে কোথাও পাওয়া যায়নি।

নিহতের গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহের পাশ থেকে একটি ধারালো ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে, যা হত্যায় ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।

খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মহিমা বেগমকে তার স্বামী কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যেতে পারেন। তবে কেউ স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীকে অপহরণ করেছে কি না— সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

শু/সবা