১২:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কালো টাকা প্রবেশ ও ভোট কেনাবেচার অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে কালো টাকা প্রবেশ, ভোট কেনাবেচা এবং কিছু প্রিজাইডিং অফিসারের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জামায়াত–এনসিপি জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব অভিযোগ করেন এবং তা প্রতিরোধে দলীয় নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা কামনা করেন।

ভিডিও বার্তায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেবিদ্বারের বিভিন্ন এলাকায় কালো টাকা প্রবেশের তথ্য তিনি পেয়েছেন। কোথাও এমন কিছু নজরে এলে এনসিপির নির্বাচনি কন্ট্রোল রুমে জানাতে এবং প্রশাসনকে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি।

তার ভাষ্য, “ভোট একটি পবিত্র আমানত। টাকার ছড়াছড়ি হতে দেওয়া হবে না। ভোটের ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আমি মাঠে থাকব।”

তিনি অভিযোগ করেন, জাফরগঞ্জ এলাকায় কিছু স্বর্ণকারের মাধ্যমে টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বরকামটা ইউনিয়নের কয়েকজন প্রিজাইডিং অফিসার ‘বিক্রি হয়ে গেছেন’ বলেও দাবি করেন তিনি। এছাড়া সুলতানপুর, রাজামেহের ও ফতেয়াবাদ ইউনিয়নেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তোলেন এই প্রার্থী।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসার বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যেখানে অর্থসহ কাউকে পাওয়া যাবে, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে তা প্রতিরোধ করা হবে। তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে আহ্বান জানান, কেউ অর্থ বিতরণ করলে প্রমাণসহ তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে।

ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেন, যারা টাকার মাধ্যমে নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন, তাদের নাম-পরিচয় প্রমাণসহ প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচনের প্রাক্কালে এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আসনে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা। ভোটের আগে কালো টাকা ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন নয়। তবে নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছে, ভোট কেনাবেচা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা জেলা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

কালো টাকা প্রবেশ ও ভোট কেনাবেচার অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর

আপডেট সময় : ০৬:১১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে কালো টাকা প্রবেশ, ভোট কেনাবেচা এবং কিছু প্রিজাইডিং অফিসারের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জামায়াত–এনসিপি জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব অভিযোগ করেন এবং তা প্রতিরোধে দলীয় নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা কামনা করেন।

ভিডিও বার্তায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেবিদ্বারের বিভিন্ন এলাকায় কালো টাকা প্রবেশের তথ্য তিনি পেয়েছেন। কোথাও এমন কিছু নজরে এলে এনসিপির নির্বাচনি কন্ট্রোল রুমে জানাতে এবং প্রশাসনকে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি।

তার ভাষ্য, “ভোট একটি পবিত্র আমানত। টাকার ছড়াছড়ি হতে দেওয়া হবে না। ভোটের ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আমি মাঠে থাকব।”

তিনি অভিযোগ করেন, জাফরগঞ্জ এলাকায় কিছু স্বর্ণকারের মাধ্যমে টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বরকামটা ইউনিয়নের কয়েকজন প্রিজাইডিং অফিসার ‘বিক্রি হয়ে গেছেন’ বলেও দাবি করেন তিনি। এছাড়া সুলতানপুর, রাজামেহের ও ফতেয়াবাদ ইউনিয়নেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তোলেন এই প্রার্থী।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসার বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যেখানে অর্থসহ কাউকে পাওয়া যাবে, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে তা প্রতিরোধ করা হবে। তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে আহ্বান জানান, কেউ অর্থ বিতরণ করলে প্রমাণসহ তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে।

ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেন, যারা টাকার মাধ্যমে নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন, তাদের নাম-পরিচয় প্রমাণসহ প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচনের প্রাক্কালে এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আসনে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা। ভোটের আগে কালো টাকা ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন নয়। তবে নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছে, ভোট কেনাবেচা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা জেলা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে।

শু/সবা