১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন আরও চার প্রার্থী

ঢাকা-১৭ আসনের আসন্ন নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রার্থী তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে আরও চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যার পর বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা সশরীর এবং টেলিফোনের মাধ্যমে এ সমর্থনের কথা জানান। এর আগে মোরগ প্রতীকের প্রার্থী এনায়েত উল্লাহও তারেক রহমানকে সমর্থন দিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন।

২০১৪-২০১৮ সালের এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনএফ প্রার্থী এস এম আবুল কালাম আজাদ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তারেক রহমানকে সমর্থন জানান। তিনি বলেন, “দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নির্বাচনে জয়লাভ করাতে হবে। সাম্প্রদায়িক শক্তি দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমার প্রার্থিতা জাতীয়তাবাদী শক্তির ভোটকে বিভক্ত করবে—এই আশঙ্কায় আমি তারেক রহমানকে সমর্থন দিচ্ছি।”

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজের অবস্থান স্মরণ করিয়ে আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, “আমরা আর ’৭১-এর আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যেতে চাই না। দেশের সার্বিক স্বার্থে দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে আমি সমর্থকদের ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডাব প্রতীকের প্রার্থী শামীম আহমেদ। তিনি বলেন, “সবার আগে বাংলাদেশ—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আমি বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন করছি। আমার সমর্থকরা ধানের শীষে ভোট দিলে আমার সমর্থন হিসেবে গণ্য হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ধানের শীষের বিকল্প নেই।”

ঢাকার বাইরে অবস্থানরত আনারস প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ রাশেদুল হক ও আপেল প্রতীকের মনজুর হুমায়ুন টেলিফোনে তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

এসময় ঢাকা–১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন বস্তিতে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা জনসমর্থন না থাকায় এই ধরনের অবৈধ পন্থা অবলম্বন করছেন। তিনি নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এবারের নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতি অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের এই সমর্থনকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখছেন, যা নির্বাচনী ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন আরও চার প্রার্থী

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-১৭ আসনের আসন্ন নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রার্থী তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে আরও চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যার পর বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা সশরীর এবং টেলিফোনের মাধ্যমে এ সমর্থনের কথা জানান। এর আগে মোরগ প্রতীকের প্রার্থী এনায়েত উল্লাহও তারেক রহমানকে সমর্থন দিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন।

২০১৪-২০১৮ সালের এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনএফ প্রার্থী এস এম আবুল কালাম আজাদ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তারেক রহমানকে সমর্থন জানান। তিনি বলেন, “দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নির্বাচনে জয়লাভ করাতে হবে। সাম্প্রদায়িক শক্তি দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমার প্রার্থিতা জাতীয়তাবাদী শক্তির ভোটকে বিভক্ত করবে—এই আশঙ্কায় আমি তারেক রহমানকে সমর্থন দিচ্ছি।”

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজের অবস্থান স্মরণ করিয়ে আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, “আমরা আর ’৭১-এর আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যেতে চাই না। দেশের সার্বিক স্বার্থে দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে আমি সমর্থকদের ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডাব প্রতীকের প্রার্থী শামীম আহমেদ। তিনি বলেন, “সবার আগে বাংলাদেশ—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আমি বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন করছি। আমার সমর্থকরা ধানের শীষে ভোট দিলে আমার সমর্থন হিসেবে গণ্য হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ধানের শীষের বিকল্প নেই।”

ঢাকার বাইরে অবস্থানরত আনারস প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ রাশেদুল হক ও আপেল প্রতীকের মনজুর হুমায়ুন টেলিফোনে তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

এসময় ঢাকা–১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন বস্তিতে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা জনসমর্থন না থাকায় এই ধরনের অবৈধ পন্থা অবলম্বন করছেন। তিনি নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এবারের নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতি অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের এই সমর্থনকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখছেন, যা নির্বাচনী ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

শু/সবা