নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের পর প্রথম কর্মদিবসেই যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ক্রীড়া উন্নয়নে নয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের দিনই তিনি এসব কর্মসূচির বাস্তবায়ন সূচি প্রকাশ করেন।
সাবেক জাতীয় ফুটবলার আমিনুল হক গত দেড় বছর ধরেই দেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা বলে আসছিলেন। তার দল বিএনপির ইশতেহারেও ক্রীড়া খাতের উন্নয়ন প্রতিফলিত হয়। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা চার সংস্থা—জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, ক্রীড়া পরিদপ্তর, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) এবং ক্রীড়া কল্যাণসেবী ফাউন্ডেশন—সমন্বিতভাবে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
প্রতিমন্ত্রীর পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে জাতীয় দলের সব খেলোয়াড়কে বেতনের আওতায় আনা এবং খেলাকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ। পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার বিষয়েও কাজ করবে মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বিকেএসপি।
দেশে ক্রীড়া সরঞ্জাম উৎপাদন ও ভবিষ্যতে রপ্তানির পরিকল্পনাও ঘোষণা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ক্রীড়া পরিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে। বিভিন্ন ব্যাংক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট খেলা বা ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত করে পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলা ছড়িয়ে দিতে উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিস স্থাপন ও ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ৬৪ জেলায় ইনডোর ভিলেজ স্থাপনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিকেএসপিকে।
এর আগে শপথের পর মিরপুর পল্লবীতে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়া উন্নয়নে সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী। ঘোষণামতো আগামী রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে ক্রীড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক সংগঠনগুলোতে পাঠিয়েছেন।
শু/সবা




















