সরকারকে কঠিন ভাষায় কথা বললে আবার বাসায় হামলা করবে : রাশেদ প্রধান » দৈনিক সবুজ বাংলা
০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারকে কঠিন ভাষায় কথা বললে আবার বাসায় হামলা করবে : রাশেদ প্রধান

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, সরকারের নানা ব্যর্থতায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হলেও সরকারের সমালোচনা করলে নির্যাতনের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকি মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত গণমিছিল-পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি।

রাশেদ প্রধান বলেন, “সম্মানের সঙ্গে, বিনয়ের সঙ্গেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রীকে প্রশ্ন করছি—যদি সত্যিই জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত থাকে, তাহলে তেলের জন্য এত দীর্ঘ লাইন কেন? এই মজুত কোথায় রাখা হয়েছে?”

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, গ্রামাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।

নিজের নিরাপত্তা প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। প্রাণনাশের হুমকির বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “হুমকি দিয়ে আমাকে থামানো যাবে না। ইনসাফের লড়াই চালিয়ে যাব।”

জুলাই সনদ ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার গণরায়ের আলোকে এসব বাস্তবায়ন করবে না বলেই তাদের ধারণা, তাই আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারকে বাধ্য করতে হবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিল্লাল মিয়াজি, এনামুল হক, ডা. আবদুল ওহাব মিনার, খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, মুসাবিন এজাহার এবং মাওলানা আহমদ আলী কাসেমীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ালেন ট্রাম্প, সিদ্ধান্তহীন তেহরান

সরকারকে কঠিন ভাষায় কথা বললে আবার বাসায় হামলা করবে : রাশেদ প্রধান

আপডেট সময় : ০৭:২৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, সরকারের নানা ব্যর্থতায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হলেও সরকারের সমালোচনা করলে নির্যাতনের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকি মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত গণমিছিল-পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি।

রাশেদ প্রধান বলেন, “সম্মানের সঙ্গে, বিনয়ের সঙ্গেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রীকে প্রশ্ন করছি—যদি সত্যিই জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত থাকে, তাহলে তেলের জন্য এত দীর্ঘ লাইন কেন? এই মজুত কোথায় রাখা হয়েছে?”

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, গ্রামাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।

নিজের নিরাপত্তা প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। প্রাণনাশের হুমকির বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “হুমকি দিয়ে আমাকে থামানো যাবে না। ইনসাফের লড়াই চালিয়ে যাব।”

জুলাই সনদ ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার গণরায়ের আলোকে এসব বাস্তবায়ন করবে না বলেই তাদের ধারণা, তাই আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারকে বাধ্য করতে হবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিল্লাল মিয়াজি, এনামুল হক, ডা. আবদুল ওহাব মিনার, খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, মুসাবিন এজাহার এবং মাওলানা আহমদ আলী কাসেমীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

শু/সবা