10:59 pm, Saturday, 9 May 2026

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার পর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়। তিনি পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে প্রথম ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।

নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, বিজেপির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবিন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যের ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নতুন সরকারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল।

শপথবাক্য পাঠ শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন শুভেন্দু অধিকারী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে অভিনন্দন জানান। পরে রাজ্যপাল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ মঞ্চে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

এদিন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও শপথ নেন বিজেপির অন্য শীর্ষ নেতারা। তাদের মধ্যে রয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্র পাল, অশোক কীর্তনিয়া, সুদিরাম তুডু ও নিশিথ প্রামাণিক।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করার পর ‘জায়ান্ট কিলার’ হিসেবে পরিচিতি পান শুভেন্দু অধিকারী। এবারের নির্বাচনে ভবানীপুর আসনে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেন। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম আসনেও নিজের অবস্থান ধরে রাখেন তিনি।

২৯৪ সদস্যের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনিক দক্ষতা ও কঠোর নেতৃত্বের বিবেচনায় শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছে বিজেপি।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিং, যোগী আদিত্যনাথ, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, দেবেন্দ্র ফডনবিশ, মিঠুন চক্রবর্তীসহ কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীকে দলীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। পরে তিনি রাজ্যপাল আরএন রবির কাছে সরকার গঠনের দাবি পেশ করেন।

শু/সবা
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

16 + 5 =

About Author Information

Popular Post

শ্রমের প্রতিটি খাতে শক্ত ভিত্তি গড়বে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন: ইউনুস আহমদ

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়

Update Time : ০৫:১৭:২০ pm, Saturday, ৯ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার পর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়। তিনি পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে প্রথম ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।

নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, বিজেপির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবিন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যের ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নতুন সরকারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল।

শপথবাক্য পাঠ শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন শুভেন্দু অধিকারী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে অভিনন্দন জানান। পরে রাজ্যপাল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ মঞ্চে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

এদিন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও শপথ নেন বিজেপির অন্য শীর্ষ নেতারা। তাদের মধ্যে রয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্র পাল, অশোক কীর্তনিয়া, সুদিরাম তুডু ও নিশিথ প্রামাণিক।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করার পর ‘জায়ান্ট কিলার’ হিসেবে পরিচিতি পান শুভেন্দু অধিকারী। এবারের নির্বাচনে ভবানীপুর আসনে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেন। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম আসনেও নিজের অবস্থান ধরে রাখেন তিনি।

২৯৪ সদস্যের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনিক দক্ষতা ও কঠোর নেতৃত্বের বিবেচনায় শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছে বিজেপি।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিং, যোগী আদিত্যনাথ, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, দেবেন্দ্র ফডনবিশ, মিঠুন চক্রবর্তীসহ কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীকে দলীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। পরে তিনি রাজ্যপাল আরএন রবির কাছে সরকার গঠনের দাবি পেশ করেন।

শু/সবা