রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধার মরদেহ প্রায় ১১ ঘণ্টা আটকে রাখা এবং পরে তার ছেলেকে প্রকাশ্যে কান ধরে উঠবস করানোর অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ জুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নগরীর নিউ জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা নুরজাহান বেগমের মৃত্যু হলে তার ছেলে রিফাত চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় কর্তব্যরত দুই চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করেন এবং হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সেবা কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখেন। একই সঙ্গে নুরজাহান বেগমের মরদেহ হাসপাতালের ডেড হাউজে রাখা হয়। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অভিযুক্ত রিফাত হাসপাতালে এসে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত মরদেহ হস্তান্তর করা হবে না।
পরে বিকেলে রিফাত হাসপাতালে এলে তাকে পরিচালকের কার্যালয়ের একটি কক্ষে নিয়ে কান ধরে কয়েকবার উঠবস করানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রংপুরজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
মরদেহ আটকে রাখা এবং ক্ষমা চাওয়ার শর্তে কান ধরে উঠবস করানোর ঘটনায় বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শু/সবা
রংপুর ব্যুরো: 





















