গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে চরাঞ্চলের মানুষের গণস্বাক্ষর সংবলিত এ স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনটি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— যমুনা নদীর দুই চ্যানেলে পৃথক দুটি সেতু নির্মাণ, মাঝখানের চরে আধুনিক কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন স্থাপন, কৃষিভিত্তিক ইপিজেড গড়ে তোলা এবং চরাঞ্চলে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল। বক্তব্য দেন সদস্যসচিব প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বাবু, ভরতখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মণ্ডল, গজারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খানসহ স্থানীয় নেতারা।
বক্তারা বলেন, গাইবান্ধা-জামালপুর নৌপথটি ব্রিটিশ আমল থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ রুট। এখানে সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের যোগাযোগ সহজ হবে এবং যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান যমুনা সেতুর ওপর যানবাহনের চাপও কমবে।
তারা দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেন। কর্মসূচিতে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং চরাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
রংপুর ব্যুরো: 























