1:03 am, Thursday, 9 July 2026

শিশু মাহফুজ হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজনের যাবজ্জীবন

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় ১৪ বছর আগে আট বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণের পর হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জামাল শেখ, শামীম শেখ ও রঞ্জু শেখ। অন্যদিকে মাহমুদা খানম ও বিল্লাল শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া দণ্ডিত প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৩ জন এবং আসামিপক্ষে ৮ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১২ সালের ৫ জুলাই গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বরাশুর গ্রামের আট বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে একই বছরের ২০ আগস্ট মাহমুদা খানমের বাড়িতে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ বাড়ির পাশের একটি মেহগনিবাগানে ফেলে রাখা হয়।

ঘটনার পর মাহফুজের মা স্বপ্না বেগম কাশিয়ানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২০ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

২০১৩ সালে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়। পরের বছর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

4 + eleven =

About Author Information

Popular Post

সংগঠনের আদর্শ রক্ষায় যুবদলের ৩০০ নেতা–কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে: যুবদল সভাপতি

শিশু মাহফুজ হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজনের যাবজ্জীবন

Update Time : ০৪:৫৭:১৬ pm, Tuesday, ৭ জুলাই ২০২৬

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় ১৪ বছর আগে আট বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণের পর হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জামাল শেখ, শামীম শেখ ও রঞ্জু শেখ। অন্যদিকে মাহমুদা খানম ও বিল্লাল শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া দণ্ডিত প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৩ জন এবং আসামিপক্ষে ৮ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১২ সালের ৫ জুলাই গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বরাশুর গ্রামের আট বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে একই বছরের ২০ আগস্ট মাহমুদা খানমের বাড়িতে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ বাড়ির পাশের একটি মেহগনিবাগানে ফেলে রাখা হয়।

ঘটনার পর মাহফুজের মা স্বপ্না বেগম কাশিয়ানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২০ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

২০১৩ সালে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়। পরের বছর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।