০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবির আবাসিক হলে জাঁকজমকপূর্ণ দীপাবলি উৎসবের আয়োজন 

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  • 166
মোঃ শামীম হোসাইন ,চবি প্রতিনিধি 
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এ এফ রহমান হলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে দীপাবলি উৎসব পালন করেছে হলের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা।
রোববার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে চারতলা বিশিষ্ট এই হল জুড়ে শতাধিক মোমবাতি প্রজ্বলন করে তারা। এ সময় আতসবাজির মাধ্যমে পুরো উৎসবটিকে মাতিয়ে তুলে এক আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়।
শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপ আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক নয়ন চন্দ্র মোদকের তত্বাবধানে উৎসবটি পালিত হয়।
তিনি বলেন, আমরা হলে আতসবাজি ফুটিয়েছি। মোমবাতি প্রজ্বলন করেছি। নিচে বসে সবাই ৫ মিনিট শ্যামা মায়ের আরাধনা করেছি এবং প্রার্থনা করেছি যে, পৃথিবীর সমস্ত অন্ধকার মুছে গিয়ে যেন মোমবাতির আলোর মত সকলের জীবন আলোকিত হয়।
দীপাবলি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি হিন্দু পঞ্জিকায় কার্তিক মাসে অনুষ্ঠিত হয়, যা গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে পড়ে। ভারতীয় অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও এটি উদযাপন করে থাকেন।
এটিকে আধ্যাত্মিক ‘অন্ধকারের ওপর আলোর বিজয়, মন্দের ওপর ভালোর এবং অজ্ঞতার ওপর জ্ঞানের প্রতীক’ বলে ধারণা করা হয়। এই দিন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বাড়িতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন।

চবির আবাসিক হলে জাঁকজমকপূর্ণ দীপাবলি উৎসবের আয়োজন 

আপডেট সময় : ০২:৫৩:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
মোঃ শামীম হোসাইন ,চবি প্রতিনিধি 
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এ এফ রহমান হলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে দীপাবলি উৎসব পালন করেছে হলের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা।
রোববার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে চারতলা বিশিষ্ট এই হল জুড়ে শতাধিক মোমবাতি প্রজ্বলন করে তারা। এ সময় আতসবাজির মাধ্যমে পুরো উৎসবটিকে মাতিয়ে তুলে এক আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়।
শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপ আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক নয়ন চন্দ্র মোদকের তত্বাবধানে উৎসবটি পালিত হয়।
তিনি বলেন, আমরা হলে আতসবাজি ফুটিয়েছি। মোমবাতি প্রজ্বলন করেছি। নিচে বসে সবাই ৫ মিনিট শ্যামা মায়ের আরাধনা করেছি এবং প্রার্থনা করেছি যে, পৃথিবীর সমস্ত অন্ধকার মুছে গিয়ে যেন মোমবাতির আলোর মত সকলের জীবন আলোকিত হয়।
দীপাবলি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি হিন্দু পঞ্জিকায় কার্তিক মাসে অনুষ্ঠিত হয়, যা গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে পড়ে। ভারতীয় অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও এটি উদযাপন করে থাকেন।
এটিকে আধ্যাত্মিক ‘অন্ধকারের ওপর আলোর বিজয়, মন্দের ওপর ভালোর এবং অজ্ঞতার ওপর জ্ঞানের প্রতীক’ বলে ধারণা করা হয়। এই দিন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বাড়িতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন।